প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফলাফলে দেখা যাচ্ছে যে, গত সাত বছরের তুলনায় দুটিই পাসের হার ও জিপিএ ৫ কমেছে। বোর্ডের সাত বছরের তুলনামূলক পরিসংখ্যান বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখা যাচ্ছে যে, ২০২৬ সালে পাসের হার নেমে এসেছে ৬৩.৬৭ শতাংশে।
একই সঙ্গে ১৬ হাজার ৬১৩ জন শিক্ষার্থী জিপিএ ৫ পেয়েছে।
ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ২০২৫ সালে পাসের হার ছিল ৭৭.৬৩ শতাংশ। সেবার জিপিএ ৫ পেয়েছিল ২২ হাজার ৩২৭ জন। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে পাসের হার কমেছে প্রায় ১৪ ভাগেরও বেশি এবং জিপিএ ৫ কমেছে প্রায় ৫ হাজার ৭০০ জন।
এর আগে, ২০২৪ সালে রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ছিল ৮৯.২৬ শতাংশ। সে বছর জিপিএ ৫ পেয়েছিল ২৮ হাজার ৭৪ জন। ২০২৩ সালে পাসের হার ছিল ৮৭.৮৯ শতাংশ, আর জিপিএ ৫ পেয়েছিল ২৬ হাজার ৮৭৭ জন। ২০২২ সালে পাসের হার ছিল ৮৫.৮৮ শতাংশ, এবং জিপিএ ৫-এর সংখ্যা ছিল ৪২ হাজার ৫২৭।
এক্ষেত্রে ২০২১ সালে পাসের হার আরো বেশি ছিল। ওই বছরে ৯৪.৭১ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছিল এবং জিপিএ ৫ পেয়েছিল ২৯ হাজার ৭০৯ জন। ২০২০ সালে পাসের হার ছিল ৯০.৭৯ শতাংশ, জিপিএ ৫ পেয়েছিল ২৬ হাজার ৬৬৯ জন।
সাত বছরের পাসের হার ও জিপিএ ৫ এর বিশ্লেষণ:
২০২৬ : ৬৩.৬৭% ১৬,৬১৩
২০২৫ : ৭৭.৬৩% ২২,৩২৭
২০২৪ : ৮৯.২৬% ২৮,০৭৪
২০২৩ : ৮৭.৮৯% ২৬,৮৭৭
২০২২ : ৮৫.৮৮% ৪২,৫২৭
২০২১ : ৯৪.৭১% ২৯,৭০৯
২০২০ : ৯০.৭৯% ২৬,৬৬৯
এদিকে, পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে যে, সাত বছর ধরে মেয়েদের পাসের হার ছেলেদের তুলনায় বেশি। ২০২৬ সালে মেয়েদের পাসের হার ৭০.৭৩ শতাংশ, আপেক্ষিকভাবে ছেলেদের পাসের হার ৫৭.৩৩ শতাংশ।
২০২৫ সালে মেয়েদের পাসের হার ছিল ৮২.০১ শতাংশ, আর ছেলেদের পাসের হার ছিল ৭৩.৬৪ শতাংশ। ২০২৪ সালে মেয়েদের পাসের হার ৯১.৯০ শতাংশ ছিল এবং ছেলেদের ৮৬.৭৮ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করে।
জিপিএ ৫-এর ক্ষেত্রেও ২০২৬ সালে মেয়েরা এগিয়ে। সেই বছর জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৮ হাজার ৯৯১ জন ছাত্রী এবং ৭ হাজার ৬২২ জন ছাত্র ছিলেন।
সাত বছরের পরিসংখ্যানে দেখা যায় যে, জিপিএ ৫ এর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য বছর ২০২২ ছিল। ওই বছর রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে ৪২ হাজার ৫২৭ জন জিপিএ ৫ পেয়েছিল। পরবর্তী বছরেই তা নেমে আসে ২৬ হাজার ৮৭৭ জনে।
২০২৪ সালে কিছুটা বেড়ে ২৮ হাজার ৭৪ জন হয়, ২০২৫ সালে কমে ২২ হাজার ৩২৭ জনে এবং ২০২৬ সালে আরো কমে ১৬ হাজার ৬১৩ জনে দাঁড়িয়েছে। অর্থাৎ ২০২২ সালের তুলনায় ২০২৬ সালে জিপিএ ৫ কমেছে প্রায় ২৫ হাজার ৯০০ জন। অন্যদিকে ২০২৪ সালের তুলনায় এটি কমেছে প্রায় ১১ হাজার ৫০০ জন।
শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানগুলির সংখ্যাও কমেছে। ২০২৬ সালে বোর্ডের ৩৫টি প্রতিষ্ঠান শতভাগ পাস করেছে। ২০২৫ সালে এ সংখ্যা ছিল ৯৯টি। ২০২৪ সালে এই সংখ্যা ছিল ২৮৯টি, ২০২৩ সালে ১৭৮টি, ২০২২ সালে ১৪৭টি, ২০২১ সালে ৩৯৮টি এবং ২০২০ সালে ৩০৮টি। অর্থাৎ, শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যাতেও ২০২৬ সালে বড় একটি পতন পরিলক্ষিত হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন