প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক সহিংসতা ও এসআইআর নিয়ে সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বুধবার দিল্লিতে বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের বৈঠকে এসব অভিযোগ উত্থাপন করেন।
মমতা অভিযোগ করেন, রাজ্যে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, ডিম ও পাথর ছোড়ার ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে তিনি নিরাপদে বাড়ি থেকে বের হতে পারছেন না। বিধানসভা নির্বাচনের পর বিজেপি রাজ্যে অরাজকতা ও স্বৈরাচার চালাচ্ছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন। দলীয় সূত্র জানায়, বৈঠকে মমতা বলেন, ‘আমি এখন আমার বাড়ি থেকেই বের হতে পারছি না’।
সম্প্রতি হুগলিতে তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষের গাড়িতে হামলা, ডিম ছোড়া ও পথ আটকানোর ঘটনা রাজ্যজুড়ে রাজনৈতিক উত্তেজনা সৃষ্টি করেছে। বিজেপির দাবি, এসব ঘটনা সাধারণ মানুষের ক্ষোভের প্রকাশ। তবে তৃণমূলের অভিযোগ, এসবের পেছনে বিজেপির ষড়যন্ত্র রয়েছে। বৈঠকে এসআইআর নিয়ে নির্বাচন কমিশনের সমালোচনা করেন মমতা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ব্যঙ্গ করে তিনি ‘ভ্যানিশ কুমার’ বলেন।
মমতা অভিযোগ করেন, নির্বাচন কমিশনের সফটওয়্যার টিমের সঙ্গে মিলে কোটি কোটি বৈধ ভোটারের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এসআইআর প্রক্রিয়া তিনি ত্রুটিপূর্ণ ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলেও দাবি করেন। একই সঙ্গে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের অপসারণের দাবি জানান তিনি।
বৈঠকে কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গে, সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী, তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়সহ বিরোধী জোটের বিভিন্ন দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদব উপস্থিত থাকতে না পারায় তার দলের দুই সাংসদ হরেন্দ্র মালিক ও মৌলানা মহিবুল্লাহ নদভি বৈঠকে যোগ দেন।
এদিকে, বিরোধীদের অভিযোগ নির্বাচন কমিশন খারিজ করেছে। কমিশনের দাবি, ভোটার তালিকা থেকে ভুয়া, মৃত ও ঠিকানা পরিবর্তন করা ভোটারদের নাম বাদ দিয়ে তালিকা সঠিক করাই এসআইআরের উদ্দেশ্য। এটি একটি আইনি ও সাংবিধানিক প্রক্রিয়া বলেও জানিয়েছে কমিশন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন