প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আলজেরিয়াকে হারিয়ে দুর্দান্তভাবে বিশ্বকাপ শুরু করা আর্জেন্টিনার সামনে এবার অস্ট্রিয়ার চ্যালেঞ্জ।
শুক্রবার (২২ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ১১টায় ডালাস স্টেডিয়ামে অস্ট্রিয়ার মুখোমুখি হবে ডিফেন্ডিং বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
এই ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে আলবিসেলেস্তেদের মিডফিল্ডার এনজো ফার্নান্দেজ কথা বলেছেন।
এই ম্যাচে সাফল্যের চাবিকাঠি হবে বলের দখল ধরে রাখা, তার মতে।
স্পেনের কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তে সম্প্রতি দাবি করেছিলেন যে বিশ্বের সেরা ছয় মিডফিল্ডার স্পেনের দলে খেলেন।
এ নিয়ে প্রশ্ন করা হলে এনজো বলেন, 'আমি তর্কে যেতে চাই না। কে ভালো, কে খারাপ, সেটা মাঠেই প্রমাণ হবে।'
এনজো স্প্যানিশ কোচের মন্তব্য সম্পর্কে আরও বলেন, 'স্পেনের মিডফিল্ড বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী, কারণ তাদের দলে অসাধারণ সব খেলোয়াড় আছে। তবে শেষ পর্যন্ত সবকিছুর সিদ্ধান্ত হয় মাঠে।'
ফাদার্স ডে উপলক্ষে নিজের শৈশবের স্মৃতিও তুলে ধরেছেন চেলসি তারকা।
বাবার অবদানের কথা বলতে গিয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে বলেন, 'আমার জীবনে বাবা সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ ছিলেন। তিনি ভোর পাঁচটায় উঠে কাজে যেতেন। তিনি আমার জন্য বড় অনুপ্রেরণা। এখন আবেগপ্রবণ হতে চাই না, কিন্তু তিনি আমার কাছে এক আদর্শ, আর আমি তাকে খুব ভালোবাসি।'
আলজেরিয়ার বিপক্ষে ৩-০ গোলের জয় দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করা আর্জেন্টিনার পারফরম্যান্স নিয়েও কথা বলেছেন এই ফুটবলার। ২৬ বছর বয়সী এনজো বলেন, 'আমরা ম্যাচ নিয়ন্ত্রণ করেছি, তবে আলজেরিয়া ভালো দল এবং তাদের ভালো খেলোয়াড়ও আছে। গরম আবহাওয়া শারীরিক সুবিধা কমিয়ে দেয়, কিন্তু তারপরও আমরা দারুণ খেলেছি। কিছু সময় অবশ্য রক্ষণও সামলাতে হয়েছে।'
জাতীয় দলে নিজের বর্তমান ভূমিকা সম্পর্কে এনজো বলেন, “কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি আমাকে সামনে উঠে বক্সে ঢুকতে বলেন।
এটাই এখন আমার দায়িত্ব, যদিও এর আগেও এমন ভূমিকায় খেলেছি। আমি এতে স্বচ্ছন্দ বোধ করি। আমাদের খেলার ধরন খুবই গতিশীল, তাই সতীর্থদের সঙ্গে বলের চারপাশে ক্রমাগত নড়াচড়া করতে হয়।'
আজকের প্রতিপক্ষ অস্ট্রিয়াকে নিয়ে চেলসির এই মিডফিল্ডার বলেন, 'আমরা এমন একটি দলের মুখোমুখি হব, যারা সরাসরি আক্রমণ করতে পছন্দ করে এবং মাঝমাঠে খুবই আক্রমণাত্মক।
কিন্তু আমরা পুরো সপ্তাহ ধরে প্রস্তুতি নিয়েছি এবং আশা করছি পরিকল্পনা সফল হবে।'
গত বিশ্বকাপে সৌদি আরবের বিপক্ষে দলের হারের পর আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্ক্যালোনি এনজোকে প্রথম একাদশে খেলানো শুরু করেন।
৩৬ বছর পর আর্জেন্টিনার শিরোপা জয়ে দারুণ ভূমিকা রেখে টুর্নামেন্টের সেরা উদীয়মান তারকার পুরস্কারও জেতেন এই মিডফিল্ডার।
এরপর থেকে মাঝমাঠে স্ক্যালোনির অন্যতম ভরসার জায়গা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করলেও একাদশে নিজেকে অটোচয়েজ মনে করেন না এনজো।
তিনি বলেন, 'গোলরক্ষকদের বাদ দিয়ে আমরা ২৩ জন খেলোয়াড়। আমি নিজেকে নিশ্চিত একাদশের সদস্য মনে করি না। কে খেলবে সেটা কোচ ঠিক করেন।
কিন্তু যখনই সুযোগ পাই, দেশের হয়ে সেরাটা দিতে চাই।'
কাতার বিশ্বকাপে শিরোপাজয়ী এই মিডফিল্ডার গত চার বছরে নিজের পরিবর্তন সম্পর্কে বলেন, 'কাতারের পর চার বছর কেটে গেছে। এই সময়ে আমি অনেক কিছু শিখেছি। জাতীয় দলে আমার খেলার ভূমিকাও বদলেছে।
এখন নিজেকে অনেক বেশি পরিণত মনে হয়। যখন প্রথম এসেছিলাম, তখন আমি ছিলাম এক কিশোর।
এরপর থেকে নিজেকে উন্নত করার চেষ্টা চালিয়ে গেছি এবং মনে করি, সেই লক্ষ্য অর্জন করতে পেরেছি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন