প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফরিদপুর শহরের পূর্ব খাবাশপুর মোড়ে অবস্থিত হাকিম টাওয়ার (আড়ং ভবন হিসেবে পরিচিত)-এর ছাদে অনুমোদনবিহীনভাবে ডুপ্লেক্স নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভবনের ডেভেলপার ওমর আলীর বিরুদ্ধে জমির মালিক ও ফ্ল্যাট মালিকদের পক্ষ থেকে নানা অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, ভবনটির সর্বোচ্চ ১২ তলা পর্যন্ত নির্মাণের জন্য অনুমোদন থাকলেও এর ওপরে ছাদের অংশে কোনো বৈধ অনুমোদন ছাড়াই ডুপ্লেক্স নির্মাণ করা হয়েছে। তার ফলে ভবনের পুরো ছাদ কার্যত দখল হয়ে গেছে এবং অন্যান্য ফ্ল্যাট মালিকরা ছাদের যৌথ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
জমির মালিক পক্ষের অভিযোগ, ছাদে ডুপ্লেক্স নির্মাণের জন্য তারা ডেভেলপারকে কোনো ধরনের লিখিত অনুমতি দেননি। ডেভেলপার প্রথমে নিজে সেখানে বসবাসের কথা বলে ওই নির্মাণকাজ সম্পন্ন করলেও বর্তমানে সেখানে আবাসিক হোটেল পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তারা অভিযোগ করেন।
অভিযোগকারীরা আরও জানান, প্রায় এক বছর আগে ফরিদপুর সদর উপজেলার তৎকালীন নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ইশরাত জাহান সরেজমিনে ভবনটি পরিদর্শন করেন। তাদের দাবি, পরিদর্শনের পর তিনি অনুমোদনহীন ডুপ্লেক্স নির্মাণের কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন এবং সে সময় নির্মাণকাজ বন্ধ হয়ে যায়। তবে পরবর্তীতে তার বদলির পর পুনরায় ওই ডুপ্লেক্স নির্মাণের কাজ শুরু করা হয় বলে অভিযোগ করেন জমির মালিক ও ফ্ল্যাট মালিকরা।
ফ্ল্যাট মালিকদের ভাষ্য, অনুমোদনহীন এই নির্মাণ ভবনের আইনগত অবস্থান ও নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করেছে। তারা অবিলম্বে বিষয়টি তদন্ত করে অবৈধ অংশ অপসারণে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করেছেন।
জমির মালিক ও ফ্ল্যাট মালিকদের দাবি, ভবনের অধিকাংশ বাসিন্দাই ওই অবৈধ ডুপ্লেক্স অপসারণের পক্ষে একমত। তারা সংশ্লিষ্ট প্রশাসন / স্থানীয় কর্তৃপক্ষ এবং দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থার কাছে দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে ডেভেলপার ওমর আলীর বক্তব্য জানার জন্য একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে তিনি অভিযোগ অস্বীকার বা এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিলে তা গুরুত্বের সঙ্গে প্রকাশ করা হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন