প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বাংলাদেশ সচিবালয়ের অধীনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোন সংযোগের তামার তার চুরির ঘটনা সামনে এসেছে, যা ধরা পড়েছে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কাউন্টার টেররিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম (সিটিটিসি) ইউনিটের তদন্তে। এই চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃত ব্যক্তিদের নাম হল সচিবালয়ের আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্র এবং ভাঙারি ব্যবসায়ী রেজাকুল ইসলাম (৩২)।
বৃহস্পতিবার (৪ জুন) বিকেলবেলা এক সংবাদ সম্মেলনে ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ জানান, নিরাপত্তার জন্য গ্রেপ্তারকৃতদের কাছ থেকে চুরি হওয়া ৮ কেজি ২০০ গ্রাম তামার তার উদ্ধার করা হয়েছে। সম্প্রতি, বিশেষ এই টেলিফোন সংযোগের তার চুরির ঘটনা গণমাধ্যম এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি করলে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) কর্তৃপক্ষ শাহবাগ থানায় একটি মামলা দায়ের করে।
ঘটনার সংবেদনশীলতা মাথায় রেখে, সিটিটিসির সিটি ইন্টেলিজেন্স অ্যানালাইসিস বিভাগ একটি ছায়া তদন্ত শুরু করে। তথ্য ও উপাত্ত বিশ্লেষণ করে আজ দুপুরে পুলিশ সচিবালয়ের আউটসোর্সিং কর্মী রঞ্জন চন্দ্রকে প্রথমে হেফাজতে নেয়।
জিজ্ঞাসাবাদের মধ্যে রঞ্জন স্বীকার করেন, গত ২২ মে সচিবালয়ের ৩ নম্বর ভবন থেকে তিনি ওই তারটি চুরি করেছিলেন। পরে, ১ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একুশে হলের সামনের একটি ভাঙারি দোকানে প্রতি কেজি ৬০০ টাকা দরে সেই তারটি বিক্রি করে দেন।
রঞ্জনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একুশে হলের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী রেজাকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর, তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী চকবাজারের হোসনি দালান রোডের একটি ভাঙারির গুদাম থেকে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের লাল টেলিফোন সংযোগের চুরি হওয়া তামার তারটি উদ্ধার করা হয়। সিটিটিসি ধারণা করছে সচিবালয়ের নানা গুরুত্বপূর্ণ সংযোগের তার চুরির পেছনে একটি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত রয়েছে। পুলিশের তদন্ত চক্রের মূল হোতাদের শনাক্ত করার লক্ষ্যে অব্যাহত রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন