প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঘরের মাঠ ন্যু ক্যাম্পে এক রূপকথার রাতে ফুটবলবিশ্ব একটি অসাধারণ ইতিহাসের সাক্ষী হলো। তরুণ তুর্কি লামিনে ইয়ামাল এবং ব্রাজিলের উইঙ্গার রাফিনিয়ার জোড়া গোলে বার্সেলোনা রায়ো ভায়েকানোকে ৫-২ ব্যবধানে পরাজিত করেছে।
একই সঙ্গে স্প্যানিশ ফুটবলে ইয়ামালের মাধ্যমে ৫০ গোলের একটি অবিশ্বাস্য মাইলফলক সৃষ্টি হয়েছে, যা ইতিহাসের পাতায় স্থান করে নিয়েছে।
ম্যাচের শুরুতে রায়ো ভায়েকানো কিছুটা ভিন্নতার আভাস দিয়েছিল। ১২তম মিনিটে সের্হিও ক্যামেলোর দুর্দান্ত গোলের মাধ্যমে অতিথিরা বার্সাকে চমকে দিয়ে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায়। তবে এই ধাক্কা খেয়ে হান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা জেগে উঠতে বিলম্ব করেনি।
দুই মিনিটের মধ্যে তারা দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে নিয়ে নেয়। ১৯তম মিনিটে রাফিনিয়া সমতায় ফেরান এবং ২১তম মিনিটে ইয়ামাল ব্যবধান ২-১ করেন। চলতি মৌসুমে তরুণ এই উইঙ্গারের এটি ছিল প্রথম গোল।
দ্বিতীয়ার্ধে বার্সেলোনার আক্রমণের তীব্রতা আরও বৃদ্ধি পায়।
ইয়ামাল এবং রাফিনিয়া উভয়েই নিজেদের জোড়া গোল পূর্ণ করেন। এর মধ্যে রায়ো ডিফেন্ডার ফ্লোরিয়ান লেজেউনের একটি আত্মঘাতী ভুলের ফলে গোলের ব্যবধান আরও বাড়ে। অন্যদিকে, রায়োর হয়ে দ্বিতীয় গোলটি করেন ক্যামেলো, যা হারের ক্ষত কিছুটা কমায়। এখন টানা তিন জয়ে লিগ টেবিলের শীর্ষে রয়েছে ফ্লিকের গানাররা, যেখানে শেষ তিন ম্যাচে তারা ১২টি গোল করেছে।
৫০ গোলের এই মহাকাব্যিক মাইলফলকে পৌঁছাতে ইয়ামালের বয়স লাগল মাত্র ১৯ বছর ৪৯ দিন।
এটি রিয়াল মাদ্রিদের কিংবদন্তি রাউল গঞ্জালেসের (১৯ বছর ২৪৯ দিন) রেকর্ড ভেঙেছে। আতলেতিকো মাদ্রিদের সাবেক তারকা ফার্নান্দো তোরেসও (২০ বছর ২২১ দিন) পেছনে পড়েছেন।
বার্সেলোনার ইতিহাসের পাতাতেও এটি একটি নতুন অধ্যায়। ১৯৩৫ সালে ২০ বছর ৩৫৬ দিন বয়সে ৫০ গোল করে ৯০ বছর ধরে এই রেকর্ডটি নিজের দখলে রেখেছিলেন প্রয়াত ফরোয়ার্ড জোসেফ এসকোলা। এমনকি ক্লাবের ইতিহাসের সেরা ফুটবলার লিওনেল মেসিও এত দ্রুত এই অর্জনে পৌঁছাতে পারেননি, মেসির ৫০তম গোলটি এসেছিল ২১ বছর ১২০ দিন বয়সে।
ইউরোপের সেরা পাঁচ লিগের আধুনিক সময়ের সুপারস্টার কিলিয়ান এমবাপ্পে (১৯ বছর ২৪১ দিন) এবং আর্লিং হাল্যান্ডকেও (২০ বছর ১৯৬ দিন) পেছনে ফেলে সবচেয়ে কম বয়সে ৫০ গোলের রেকর্ড এখন এই স্প্যানিশ সেনসেশনের ঝুলিতে রয়েছে।
এখন পর্যন্ত সব প্রতিযোগিতায় বার্সার জার্সি গায়ে ইয়ামাল ১৫৪ ম্যাচে অংশগ্রহণ করেছেন, যার মধ্যে ১২৬টিতে তিনি ছিলেন শুরুর একাদশে। গোল করেছেন ৫১টি এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন ৪৫টি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন