প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
আন্তর্জাতিক আদিবাসী দিবস পালিত হয়েছে রাঙামাটিতে নানা আয়োজনে। বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, রাঙামাটি অঞ্চলের উদ্যোগে রাঙামাটি পৌর চত্ত্বরে অনুষ্ঠানটির জন্য আলোচনা সভা এবং দলীয় নৃত্য পরিবেশনের আয়োজন করা হয়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের সদস্য অ্যাডভোকেট চঞ্চু চাকমা উক্ত অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। এ সময় সভাপতির আসনে ছিলেন বাংলাদেশ আদিবাসী ফোরাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চল-এর সভাপতি ও সাবেক উপসচিব প্রকৃতি রঞ্জন চাকমা। প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন জুম ঈসথেটিকস কাউন্সিলের সভাপতি ও শিক্ষাবিদ শিশির চাকমা। বক্তৃতা প্রদান করেন ফদাং তাং রান্দাল এবং সদস্য সচিব ইন্টু মনি তালুকদার প্রমুখ।
সভায় বক্তারা বলেন, "আমরা ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী নয়, আদিবাসী হিসেবে রাষ্ট্রীয় ও সাংবিধানিক স্বীকৃতি চাই।" জাতিসংঘ ঘোষিত অধিকার বাস্তবায়ন এবং ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়নের জন্য দ্রুত ‘রোডম্যাপ’ ঘোষণার দাবি জানানো হয়।
বক্তারা আরো যোগ করেন, "আমাদের পরিচয় রাষ্ট্র চাপিয়ে দিতে পারে না। যা মানবাধিকার লঙ্ঘন। আমরা বাঙালি বা ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠি নয়, আদিবাসী হিসেবে বেঁচে থাকতে চাই।" বক্তারা জাতিসংঘ ঘোষিত অধিকার বাস্তবায়ন করতে সরকারের প্রতি দাবি জানান। দীর্ঘদিন ধরে সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে ‘আদিবাসী’ হিসেবে স্বীকৃতি চাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করেন বক্তারা এবং সরকারের পক্ষ থেকে সেই দাবিগুলো বাস্তবায়নের অনীহা প্রকাশের অভিযোগ করেন।
শিশির চাকমা বলেন, "পার্বত্য চট্টগ্রাম শান্তি চুক্তি বাতিল করা হলে এর চেয়েও শক্তিশালী চুক্তি করতে হবে। তাই চুক্তি নিয়ে তালবাহানা না করে চুক্তি বাস্তবায়নের রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে।"
আলোচনা সভা শেষে পৌর চত্ত্বর থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে রাজবাড়ি এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন