প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ঢাকা টেস্টের প্রথম দিনটি বাংলাদেশ দলের জন্য ভালো কাটলেও, দ্বিতীয় দিনের শুরুতেই তারা ব্যাটিং ধসের সম্মুখীন হয়েছে। ৩ উইকেটে ২১৩ রান নিয়ে দিন শুরু করার পর, টাইগাররা মাত্র ৫৯ রানে শেষ ৭ উইকেট হারিয়েছে। তবে, বাংলাদেশের এই ব্যাটিং ধসের পেছনে ব্যাটারদের দায়ের তুলনায় উইন্ডিজ বোলারদের কৃতিত্ব বেশি রয়েছে।
দ্বিতীয় দিনে বাংলাদেশের প্রথম ৩ উইকেট নিয়েছেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনাররা। এই উইকেটগুলোর মাধ্যমে উইন্ডিজ একটি সুযোগ পেয়ে যায়। মিরপুর শের-ই বাংলা স্টেডিয়ামের পিচ ধীরে ধীরে স্পিন সহায়ক হয়ে উঠবে, এটি পূর্বাভাস করা সম্ভব ছিল। প্রথম দিনের তুলনায় এই পিচে অনেক বেশি টার্ন দেখা যাচ্ছে। তাই, দ্বিতীয় দিন শুরু থেকেই স্পিন বোলিং নিয়ে আসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তারা সাফল্যও অর্জন করেছে। উইন্ডিজের দুই স্পিনার, ওয়ারিক্যান এবং বিশপ, দুজনেই উইকেট থেকে যথেষ্ট সহায়তা পেয়েছেন।
শামার জোসেফ পরপর দুই ওভারে দুটি উইকেট নিয়ে ব্যাটিং ধসকে আরও ত্বরান্বিত করেন। তিনি সকালের ময়েশ্চার এবং নতুন বলের সুবিধা গ্রহণ করেছেন। আর শেষদিকে, ওয়ারিক্যান চাপ দিয়ে বোলারদের উইকেট তুলে নেন। নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের মাধ্যমে বোলারদের অফস্ট্রাইকে যাওয়ার সুযোগ তিনি দেননি। ফলে, লিটনকে অন্য পাশে রেখে সফরকারীরা বাংলাদেশকে অলআউট করতে সক্ষম হয়।
বাংলাদেশকে দ্রুত গুড়িয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে উইন্ডিজ বোলারদের বুদ্ধিদীপ্ত বোলিং এবং কন্ডিশন বোঝার ক্ষমতাকে কৃতিত্ব দিতে হবে। তারা কন্ডিশন বুঝতে পেরে দিনের প্রথম থেকেই স্পিনার এনেছে। আবার নতুন বলে এক প্রান্ত থেকে পেস বোলিং আক্রমণও চালিয়েছে। নিচের দিকের দুই-একজন ব্যাটার কিছু ভুল করলেও, বেশিরভাগ উইকেটই ভালো পরিকল্পনা এবং নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের পুরস্কার হিসেবে পেয়েছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন