প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে বিএনপি সরকারের মেয়াদের শেষ দিন পর্যন্ত আন্দোলন করেও কিছু করার সক্ষমতা রাখে না, এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান। তিনি এনসিপির নতুন রাজনীতিকে 'সুবিধাবাদী জিন্দাবাদের রাজনীতি' হিসেবে অভিহিত করেছেন।
আজ রবিবার, নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে রাশেদ খান এই মন্তব্যগুলো করেন।
ওই স্ট্যাটাসে উল্লেখ করা হয়েছে, পদত্যাগের ঠিক আগের রাতে আসিফ মাহমুদ বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় গিয়ে বিএনপিতে যোগদানের আগ্রহ প্রকাশ করেছিলেন এবং 'ধানের শীষ' প্রতীকে নির্বাচন করার কনফার্মেশন চেয়েছিলেন। একই সঙ্গে মাহফুজ আলমও বিএনপিতে নির্বাচন করতে আগ্রহী ছিলেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে বিএনপি শেষ পর্যন্ত অন্তর্বর্তী সরকারের কাউকে নিজেদের প্রতীকে নির্বাচন করাতে রাজি না হওয়ায় আসিফ মাহমুদ বাধ্য হয়ে এনসিপিতে যোগ দেন। বর্তমানে আসিফ দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের কোণঠাসা অবস্থায় আছেন বলে দাবি করেছেন রাশেদ খান।
পোস্টে রাশেদ খান বলেন, বেশি আসন সমঝোতার আশায় এনসিপির শীর্ষ নেতারা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাসায় ধরনা দিলেও বিএনপি তাদের মাত্র চারটি আসন ছাড়তে রাজি হয়। পরবর্তীতে অধিক আসন ও নির্বাচনী খরচের আশায় দলটি জামায়াত জোটে ভিড়েছে বলেও মন্তব্য করা হয়েছে।
রাশেদ খান বলেন, এনসিপির নতুন রাজনীতি হলো সুবিধাবাদী জিন্দাবাদের রাজনীতি। এখন হয়তো আলাদা কোনো সুবিধা পেতে কিংবা জামায়াতের পরামর্শে বিএনপিকে চাপের রাখার কৌশল হিসেবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে ক্যাম্পেইন শুরু করেছে এনসিপি।
এনসিপির এই কর্মসূচি সম্পূর্ণ ব্যর্থ হবে বলে দাবি করেন রাশেদ খান। তিনি বলেন, বিএনপি সরকারের মেয়াদের শেষ দিন পর্যন্ত স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন করেও এনসিপির কিছু করার সক্ষমতা নেই। কারণ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কোনো সুযোগে নেতা বনে যাননি। দীর্ঘ সংগ্রাম, মেধা ও যোগ্যতার কারণেই তার আজকের এই পজিশন।
তার দাবি, জামায়াত ও এনসিপির ৯০ জন এমপির মেধা, যোগ্যতা বনাম এক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, এটাতো কারো না বোঝার কথা নয় যে, তাদের যন্ত্রণাটা ঠিক এখানেই। তারা মনে করেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি করে বিএনপিকে চাপে রাখতে পারলে বিরিয়ানির ভাগ আদায় করা যাবে। কিন্তু বিএনপি বিরিয়ানি ভাগবাটোয়ারার রাজনীতি করে না। বিএনপি রাষ্ট্র পুনর্গঠনের রাজনীতি করে। সুতরাং বিএনপির কাছ থেকে জামায়াত-এনসিপি বিরিয়ানির ভাগ চাইলেও পাওয়ার সম্ভাবনা নেই।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন