প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নেপালের স্থানীয় কর্মকর্তারা অবহিত করেছেন যে, মৃতের সংখ্যা নেপালে বেড়ে অন্তত ৯০৩ জনে পৌঁছেছে। এছাড়া, দেশটির ৪ হাজার ২০০ জনেরও বেশি মানুষ এখনও নিখোঁজ রয়েছে।
অন্যদিকে, চীনের সরকারি গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তিব্বতে এই ঘটনায় ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং ৫৪৬ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ফলে, দুই দেশের মৃতের সংখ্যা মিলিয়ে ৯১৯ জনে দাঁড়িয়েছে।
আটকে থাকা জীবিতদের সন্ধানে উদ্ধারকারীরা কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছেন। গত বুধবারের আকস্মিক বন্যার পর নেপালে জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের বিভিন্ন টানেলে আটকে পড়া শত শত মানুষকে উদ্ধারের জন্য জোর চেষ্টা চলছে।
এদের মধ্যে ত্রিশূলী-৩এ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের টানেলও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, চীন ও ভারতের বিশেষজ্ঞসহ উদ্ধারকারী দল টানেলের ভিতরে আটকে থাকা মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপনের চেষ্টা করছে। তবে, এখনও পর্যন্ত ভেতর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। নিখোঁজ শত শত মানুষের মধ্যে অনেকেই নেপালের বিভিন্ন জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কর্মী বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বুধবার হিমালয় অঞ্চলে হিমবাহ ধসে পড়ার পর বরফ, পাথর, কাদা এবং ধ্বংসাবশেষের বিশাল স্রোত পাহাড়ি উপত্যকা ও নদীর ওপর দিয়ে নেমে আসে। এর ফলে নেপাল ও চীনের বিস্তীর্ণ এলাকায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রেড ক্রসের হিসাব অনুযায়ী, এই দুর্যোগে ৯০ হাজারের বেশি মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। চীন জানিয়েছে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবের সঙ্গে এই দুর্যোগের সম্পর্ক রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন