প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ভারতের দক্ষিণ উপকূলীয় রাজ্য অন্ধ্রপ্রদেশে তীব্র ঘূর্ণিঝড় ‘মুরাসু’ আঘাত হেনেছে। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) মধ্যরাতে রাজ্যের প্রকাশম জেলার ওঙ্গোলের নিকটবর্তী এলাকা দিয়ে ঝড়টি স্থলভাগ অতিক্রম (ল্যান্ডফল) শুরু করেছে বলে জানিয়েছে ভারতের আবহাওয়া বিভাগ (আইএমডি)।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদনে আইএমডির উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়েছে, মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলে প্রবেশ প্রক্রিয়া শুরু করে। বাতাসের তীব্রতার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে উপকূলজুড়ে চলছে টানা ভারি বর্ষণ। ল্যান্ডফলের সময় বাতাসের গতিবেগ ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটারে পৌঁছেছে।
আবহাওয়া দফতরের রাত ১টা ৩০ মিনিটের বুলেটিন অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও সংলগ্ন দক্ষিণ অন্ধ্রপ্রদেশ উপকূলে অবস্থান করছিল। ওই সময় এটি ওঙ্গোল থেকে প্রায় ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পূর্বে, কাভালি থেকে ৬০ কিলোমিটার উত্তর-পূর্বে এবং বাপাতলা থেকে ৭০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থান করছিল।
আইএমডি জানাচ্ছে, নেলোর ও নরসাপুরের মধ্যবর্তী ওঙ্গোলের উপকূলীয় এলাকা দিয়ে ঝড়টি সম্পূর্ণরূপে স্থলভাগে প্রবেশ করতে পারে। ল্যান্ডফল প্রক্রিয়া চলাকালে এবং সকাল পর্যন্ত উপকূল ও পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে ঘণ্টায় ১১০ থেকে ১২০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বয়ে যাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে।
আবহাওয়া দফতর আরও জানিয়েছে, আগামী ১২ ঘণ্টা জুড়ে দক্ষিণ উপকূলীয় অন্ধ্রপ্রদেশের বিস্তীর্ণ এলাকায় ভারি থেকে অতিভারি বর্ষণ অব্যাহত থাকতে পারে। পাশাপাশি বুধবার সকাল পর্যন্ত সাগরের স্বাভাবিক জোয়ারের চেয়ে ১ থেকে ১.৫ মিটার (৩ থেকে ৫ ফুট) উঁচু জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা রয়েছে, যার ফলে উপকূলীয় অঞ্চলের নিম্নাঞ্চলগুলো প্লাবিত হতে পারে। বিশেষ করে বাপাতলা, কৃষ্ণা ও প্রকাশম জেলায় ক্ষয়ক্ষতি ও প্লাবনের ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি বলে সতর্ক করেছে আবহাওয়া অফিস।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন