প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের সর্ব উত্তরের সীমান্তবর্তী জেলা পঞ্চগড়ে শীতের আমেজ ইতোমধ্যে অনুভূত হতে শুরু করেছে। মধ্য রাতের পর কিছুটা ঠান্ডার অনুভূতি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং ভোরের প্রকৃতি স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে যে শীত দরজায় কড়া নাড়ছে। প্রকৃতির আগাম বার্তা যখন শিশির ও কুয়াশায় প্রকাশ পায়, তখন শীতার্ত মানুষের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া জরুরি হয়ে পড়ে। কারণ, কারও কাছে শীত মানে প্রকৃতির সৌন্দর্য, আবার কারও কাছে, এক টুকরো উষ্ণতার অপেক্ষা।
আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৬ টায় তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৪ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। গতকালের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৩ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বর্ষার আমেজ পুরোপুরি কাটতে না কাটতেই মধ্যরাত থেকেই ঠান্ডা বাতাসের অনুভূতি বাড়ছে। ভোরে কুয়াশা ও শিশির দেখা যাচ্ছে। ঘাসের ডগায় জমে থাকা স্বচ্ছ শিশিরবিন্দু, চারপাশে কুয়াশার আবরণ এবং উত্তরের হিমেল বাতাস সবকিছুতেই ঋতু বদলের আগাম বার্তা প্রতিফলিত হচ্ছে। হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত হওয়ায় পঞ্চগড়ে শীতের অনুভূতি অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় আগেভাগেই আসে।
শুড়ি ভিটা এলাকার আবুল কালাম জানিয়েছেন, সকালে রাস্তাঘাট কুয়াশার আবরণে ঢাকা থাকে। উত্তরের দিক থেকে আসা হিমেল বাতাসে শরীরে শীতের পরশ অনুভূত হচ্ছে। পঞ্চগড়ের ভোর যেন আগেভাগেই জানান দিচ্ছে শীত আসছে।
রিয়াজ উদ্দিন জানিয়েছেন, জেলায় শীত এখনই অনুভব হচ্ছে, তবে শীত বাড়লে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েন খেটে খাওয়া ও নিম্ন আয়ের মানুষরা। ভোর হলেই পাথর ও চা শ্রমিক, দিনমজুর ও খেটে খাওয়া মানুষরা বেরিয়ে পড়েন। হিমেল হাওয়া ও কুয়াশার মাঝে শ্রমিকরা নদীতে পাথর তুলতে ও শিশির ভেজা চা পাতা কাটার জন্য বের হন।
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্র নাথ রায় জানিয়েছেন, শীত মৌসুমে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় পঞ্চগড়ে সর্বোচ্চ শীত অনুভূত হয়। মৌসুমের বেশিরভাগ দিনে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এই জেলায় রেকর্ড করা হয়। তাপমাত্রার পারদ এক অঙ্কের ঘরে পৌঁছে যায়।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন