প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও ইসরাইলি হামলা থেমে যাচ্ছে না। মধ্য গাজার মাঘাজি শরণার্থী শিবিরে হামলায় তিন ফিলিস্তিনি পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। এর পাশাপাশি, উত্তর গাজার বেইত লাহিয়ায় একটি আশ্রয়কেন্দ্রের কাছে ইসরাইলি ড্রোন হামলায় দুই ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরেকজন।
যুদ্ধবিরতির এই সময়েও গাজার মাঘাজি শরণার্থী শিবিরে ইসরাইলি বিমান হামলায় উপত্যকার তিন পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছিলেন। স্থানীয় সময় রোববার (২৮ জুন) ইসরাইলি সেনাবাহিনী এক বিবৃতিতে জানায়, নিহতরা তাদের জন্য হুমকি হয়ে উঠেছিলেন। এই কারণে তাদের লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছিল।
উত্তর গাজার বেইত লাহিয়ায় উম্ম আল-ফাহম স্কুলের কাছে অবস্থানরত একদল বেসামরিক মানুষের ওপর ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইসরাইলি বাহিনী। স্থানীয় সূত্র থেকে জানা যায়, ওই স্কুলটিতে শত শত বাস্তুচ্যুত মানুষ আশ্রয় নিয়েছেন। হামলায় হতাহতের ঘটনা ঘটেছে বেশ কয়েকজনের।
গাজার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। তারা এক বিবৃতিতে বলেন, পুলিশ সদস্যদের হত্যা প্রমাণ করে গাজায় ইসরাইল পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীলতা ও বিশৃঙ্খলা চায়। তারা যুদ্ধবিরতির মধ্যস্থতাকারী দেশ এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে ইসরাইলকে হামলা বন্ধে কার্যকর চাপ প্রয়োগের আহ্বান জানায়।
এদিকে, দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান ইসরাইলের সামরিক অভিযানে গাজার মানবিক পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া যুদ্ধে ৭৩ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত এবং প্রায় ১ লাখ ৭৩ হাজার মানুষ আহত হয়েছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, গাজার প্রায় ৯০ শতাংশ বেসামরিক অবকাঠামো ধ্বংস হয়ে গেছে এবং পুনর্গঠনে প্রয়োজন হতে পারে প্রায় ৭০ বিলিয়ন ডলার।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন