প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হরমুজ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা চলমান রয়েছে। সম্প্রতি হরমুজ এলাকায় তিনটি জাহাজে ইরান হামলা চালায়। এই ঘটনার পরিণতিতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানে ব্যাপক বোমাবর্ষণ করে। তবে যেকোনো পরিস্থিতিতে হরমুজে জাহাজ পরিচালনার নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে ইরান পুরোপুরি বদ্ধপরিকর।
আল জাজিরার খবর অনুযায়ী, ওমানের রাজধানী মাসকাটে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাগচি এবং ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আল-বুসাইদি বৈঠক করেছেন। সেখানে তারা হরমুজ প্রণালিতে জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিয়ে ব্যাপক আলোচনা করেন।
ইরানের স্পষ্ট দাবি হলো, একটি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচলের পুরো নিয়ন্ত্রণ কেবল তাদের হাতে থাকবে। কারণ এটি ইরান ও ওমানের জলসীমার অংশ। এখানে তৃতীয় কোনো পক্ষের হস্তক্ষেপ তারা কোনও ভাবেই মানবে না। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য দেশগুলো এর ঘোর বিরোধী।
হরমুজ প্রণালির এই উত্তেজনার মধ্যে নিজেদের শীর্ষ নেতাদের হত্যার কঠোর প্রতিশোধ নেওয়ার বিষয়টি ভাবছে ইরান। মোস্তফা খোশচেশম নামে তেহরানের এক অধ্যাপক বলেন, ইরানিরা মনে করেন যে প্রতিশোধ না নিলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এইভাবে তাদের নেতাদের হত্যা করে যাবে।
২০২০ সালে মার্কিন হামলায় নিহত হন ইরানের শীর্ষ জেনারেল কাসেম সোলাইমানি। এরপর আলী শামখানির মত অনেক শীর্ষ নেতাকেও হত্যা করা হয়েছে। এই হত্যাযজ্ঞ থামানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে চরম মূল্য চোকাতে হবে, এই কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন