প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নীলফামারী-৩ আসনের (সংরক্ষিত) সাবেক সংসদ সদস্য মোছা. আশিকা সুলতানা। ছবিটি কালের কণ্ঠের।
রাজধানীর মিরপুর মডেল থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গ্রেপ্তার নীলফামারী-৩ আসনের (সংরক্ষিত) সাবেক সংসদ সদস্য মোছা. আশিকা সুলতানাকে ফের তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।
সোমবার (২৯ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সারাহ্ ফারজানা হক এ আদেশ দেন।
রিমান্ড শুনানি শেষে আদালত থেকে কারাগারে নেওয়ার সময় তিনি ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান’ দেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘আমি কী করেছি, কী অপরাধ আমার যে বারবার রিমান্ডে নেওয়া হচ্ছে?’
এর আগে একই মামলায় গত শুক্রবার থেকে তিনি তিন দিনের রিমান্ডে ছিলেন। আজ আসামিকে আদালতে হাজির করে তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর মডেল থানার উপপরিদর্শক আল মামুন হোসাইন পাঁচ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আশিকা সুলতানার আইনজীবী শাহাব উদ্দিন রাজু বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘সাবেক এ এমপি গত শুক্রবার থেকে এই মামলায় রিমান্ডে ছিল। একজন মহিলা মানুষকে বারবার একই মামলায় রিমান্ডে নেওয়া মানবাধিকার লঙ্ঘন, যা আমরা আদালতে রিমান্ড শুনানিতে বলেছি। কিন্তু আদালত রিমান্ড শুনানি শেষে তাকে পুনরায় তিন দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।’
এর আগে গত বৃহস্পতিবার আশিকা সুলতানাকে রাত ১১টা ৫০ মিনিটে মিরপুর ১১ থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, গত ১৯ জুন মিরপুর-১-এর এপেক্স শোরুমসংলগ্ন বাটা শোরুমের সামনের রাস্তায় আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের ৪০/৫০ জন সরকারবিরোধী মিছিল বের করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা তাদের কাছে থাকা বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন রেখে পালিয়ে যায়। পরে ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, আওয়ামী লীগের ৭৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে তারা মিছিল করেছে। ওই ঘটনায় পুলিশ বাদী মামলায় সন্দিগ্ধ আসামি হিসেবে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রিমান্ড আবেদনে পুলিশ উল্লেখ করেন, বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, ওই ঘটনার সঙ্গে আসামি আশিকা সুলতানা জড়িত আছে।
পুলিশ দাবি করেন, তিনি আওয়ামী লীগের একজন অর্থদাতা। সুতরাং, মিছিলের মূল রহস্য উদঘাটন, পলাতকদের গ্রেপ্তার ও আওয়ামী লীগ-ছাত্রলীগের মিছিলের নেতৃত্বদানকারীদের রহস্য উদঘাটনে তাকে রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন তদন্ত কর্মকর্তা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন