প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
চুয়াডাঙ্গায় মাদক মামলায় আশাদুল হক মিন্টু (৩৯) নামের একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। পাশাপাশি, তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করা হয়েছে।
জরিমানার অর্থ পরিশোধ না করলে তাকে অতিরিক্ত এক মাস সশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুরে চুয়াডাঙ্গার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (১ম আদালত) সত্যব্রত শিকদার এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত মিন্টু চুয়াডাঙ্গা শহরতলির দৌলতদিয়াড় চুনুরীপাড়ার মৃত রমজান আলীর পুত্র।
আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৩১ মার্চ মাদকবিরোধী অভিযানের সময় মিন্টুকে গ্রেপ্তার করে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশ।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাক্ষীদের সামনে তার দেহ তল্লাশি করে প্যান্টের ডান পকেট থেকে তিনটি পলিথিনে মোড়ানো হেরোইন উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া প্যাকেটগুলোর মোট ওজন ছিল ১৩৫ গ্রাম। তার বাঁ পকেট থেকে ১৮টি প্যাথিডিন ইনজেকশনের অ্যাম্পুলও উদ্ধার করা হয়। জব্দ তালিকা অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া হেরোইনের আনুমানিক মূল্য ছিল এক লাখ ৩৫ হাজার টাকা।
প্যাথিডিন ইনজেকশনের মূল্য ধরা হয়েছিল এক হাজার ৮০০ টাকা। এ ঘটনায় মিন্টুর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। তদন্ত শেষে পুলিশ আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।
মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ায় রাষ্ট্রপক্ষের ১১ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। সাক্ষ্য-প্রমাণ ও মামলার নথি পর্যালোচনা শেষে আদালত তাকে দোষী সাব্যস্ত করে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন।
মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি এপিপি মানাজার আলী জোয়ার্দ্দার মন্তব্য করেন, ‘দীর্ঘ এক দশকের বেশি সময় ধরে চলা মামলায় আদালতের এ রায়ের মধ্য দিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। রাষ্ট্রপক্ষ এ রায়ে সন্তুষ্ট।’
এদিকে, আসামিপক্ষের আইনজীবী ফজলে রাব্বী সাগর জানান, ‘এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করা হবে।’
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন