প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
২০২৫ সালে প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা খাতের রফতানি রেকর্ড ১৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছেছে। সংশ্লিষ্ট দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, মূলত ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যাপক চাহিদা এই প্রবৃদ্ধির প্রধান চালিকা শক্তি হিসেবে রয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে, টানা পঞ্চম বছরের মতো দেশটির প্রতিরক্ষা রফতানিতে নতুন রেকর্ড স্থাপন হয়েছে। গত এক দশকে এই খাতের রফতানি চার গুণের বেশি বেড়েছে, আর শেষ পাঁচ বছরে এটি দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৫ সালে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো সারাবিশ্বে শত শত নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করেছে। এই সব চুক্তির মোট মূল্য ১৯ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার, যেখানে ৫৩ শতাংশই ছিল ‘মেগা ডিল’, অর্থাৎ প্রতিটি চুক্তির মূল্য ১০ কোটি ডলারের বেশি।
মন্ত্রণালয় আরও জানায়, মোট রফতানি চুক্তির মধ্যে ২৯ শতাংশ এসেছে ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা থেকে, যা খাতটির সবচেয়ে বড় অংশ। এছাড়া নজরদারি ও অপট্রনিক্স সিস্টেম ২২ শতাংশ এবং রাডার ও ইলেকট্রনিক যুদ্ধ সরঞ্জাম ১১ শতাংশ অংশীদারিত্ব পেয়েছে।
ইসরায়েল বলেছে, ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে একাধিক ফ্রন্টে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি তাদের প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির সক্ষমতা বিশ্ববাজারে প্রদর্শনের সুযোগ তৈরি করেছে। দেশটির মতে, যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার হওয়া প্রযুক্তির ‘প্রমাণিত কার্যকারিতা’ আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের মধ্যে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা সরঞ্জামের চাহিদা আরও বাড়িয়েছে।
বাজার বিভাজনের তথ্যে বলা হয়েছে, ইউরোপ ছিল সবচেয়ে বড় ক্রেতা অঞ্চল, যা মোট চুক্তির ৩৬ শতাংশ। এরপর এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল ৩২ শতাংশ, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকা ১৫ শতাংশ এবং উত্তর আমেরিকা ১৩ শতাংশ অংশীদারিত্বে রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা এবং আধুনিক যুদ্ধ প্রযুক্তির চাহিদা বৃদ্ধি ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা শিল্পকে বৈশ্বিক অস্ত্র বাজারে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাচ্ছে। সূত্র: আল-জাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন