প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তির চাহিদা বৃদ্ধির সাথে সাথে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াইওমিং অঙ্গরাজ্যে একটি বিশাল ডেটা সেন্টার নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে গুগল। এই প্রকল্পের জন্য প্রতিষ্ঠানটি প্রায় ১৭ বিলিয়ন বা ১ হাজার ৭০০ কোটি ডলার বিনিয়োগ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটি ওয়াইওমিংয়ে গুগলের প্রথম ডেটা সেন্টার প্রকল্প হিসেবে চিহ্নিত হবে।
যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ডেটা সেন্টার সম্প্রসারণের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও সামাজিক বিরোধিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সম্প্রতি দেশটির বিভিন্ন স্থানীয় নির্বাচনে অনুষ্ঠিত ৪১টি ভোটাভুটির মধ্যে ৪০টিতে ভোটাররা ডেটা সেন্টার সম্প্রসারণের বিপক্ষে অবস্থান গ্রহণ করেছেন। এই পরিস্থিতির মধ্যেই রিপাবলিকান অধ্যুষিত ওয়াইওমিংয়ে গুগল বড় অঙ্কের বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য গুগল রিলেটেড ডিজিটাল, আমেরিকান ইলেকট্রিক পাওয়ার এবং ব্ল্যাক হিলস এনার্জির সাথে যৌথভাবে কাজ করবে। ব্লুম এনার্জি ৭০২ মেগাওয়াট ক্ষমতার ফুয়েল-সেল প্রযুক্তি সরবরাহ করবে, যা ডেটা সেন্টারের বিদ্যুৎ চাহিদা পূরণে সহায়তা করবে।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রে ডেটা সেন্টার নির্মাণ ও এআই অবকাঠামো সম্প্রসারণের জন্য বাড়তে থাকা রাজনৈতিক চাপ প্রযুক্তি খাতে প্রভাব ফেলতে শুরু করেছে। স্থানীয় বিধিনিষেধের সম্ভাবনার কারণে সম্প্রতি টেক্সাসে এআই ক্লাউড সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান এনস্কেলের সাথে চুক্তি সম্প্রসারণে সম্মতি দেয়নি মাইক্রোসফট।
এই পরিস্থিতিতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। ভবিষ্যতে ডেটা সেন্টার নির্মাণ ও পরিচালনায় স্থানীয় পর্যায়ে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপের আশঙ্কায় ব্লুম এনার্জির শেয়ারের দাম ১৪ শতাংশের বেশি কমে গেছে শেয়ারবাজারে।
বিশ্লেষকদের মতে, এআই প্রযুক্তির উন্নয়নে ডেটা সেন্টার অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামো হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। তবে বিপুল বিদ্যুৎ ব্যবহার, পরিবেশগত প্রভাব এবং স্থানীয় জনগণের উদ্বেগের কারণে এসব প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলো ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন