প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
শিক্ষার্থীরা একরামুল ইসলাম নামের এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানি ও অশালীন আচরণের অভিযোগে বিক্ষোভ করেছে।
এ ঘটনা ঘটে সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে মনিরামপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য অভিযুক্ত শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে।
পুলিশ এ সময় তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোন ও কম্পিউটার জব্দ করেছে।
তথ্য অনুযায়ী, মনিরামপুর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষক এমরামুল ইসলাম একাধিকবার শিক্ষার্থীদের সাথে অশালীন আচরণ ও যৌন হয়রানি করে আসছিলেন।
শিক্ষকটির বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তিনি মুখ খুললেই পরীক্ষায় ফেল করানোর মতো ভয়-ভীতি দেখাতেন। এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সোমবার সকালে শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ করে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন, কিন্তু ব্যর্থ হন। এক পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. স¤্রাট হোসেন, এ্যাসিল্যান্ড মাহির দায়ান আমিন, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোজাফ্ফর হোসেন ও থানার ওসি আবু সাঈদ বিদ্যালয়ে এসে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেন।
শিক্ষার্থীরা ইউএনও’র কাছে লিখিত অভিযোগ দেয়। ইউএনও তাৎক্ষণিকভাবে মাধ্যমিক মাউশি’র খুলনা বিভাগীয় পরিচালকসহ উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করেন এবং অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করেন। এরপর পুলিশ অভিযুক্ত শিক্ষক একরামুলকে হেফাজতে নেয়। শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে শিক্ষার্থীরা শ্রেণীকক্ষে ফিরে যায়।
প্রধান শিক্ষক একেএম তছির উদ্দীন জানান, শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।
বিদ্যালয়ের সভাপতি ও ইউএনও মোঃ স¤্রাট হোসেন বলেন, খবর পেয়ে বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেছি। ওই শিক্ষকের সর্বোচ্চ শাস্তির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের সুপারিশ করা হয়েছে।
মনিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু সাঈদ শিক্ষককে পুলিশ হেফাজতে নেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের ব্যবহৃত ফোন ও কম্পিউটার জব্দ করা হয়েছে এবং এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন