প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলের একটি স্কুলের ঘটনার ফলে দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বন্দুকধারী, পুলিশের তথ্যমতে, পরে আত্মহত্যা করে।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ঘটনাটি দেশটির একটি ক্যাথলিক স্কুলে ঘটে।
এটি গত দুই মাসের মধ্যে স্কুলে দ্বিতীয়বার গুলির ঘটনা। পশ্চিম মিনদানো অঞ্চলের ক্যাথলিক বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আতেনেও দে জাম্বোয়াঙ্গা বিশ্ববিদ্যালয়ে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয় পুলিশ জানায়, নবম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থী পিস্তল ও রাইফেল নিয়ে স্কুল ক্যাম্পাসে প্রবেশ করেছিল।
পরে সে শ্রেণিকক্ষে গুলি চালায়। এ ঘটনায় দশম শ্রেণির এক শিক্ষার্থী নিহত হয়। এরপর অভিযুক্ত শিক্ষার্থী নিজেকে গুলি করে।
পুলিশের মুখপাত্র শেলা চ্যাং এএফপিকে জানান, ‘তদন্ত চলাকালীন, আমরা হামলার উদ্দেশ্য জানার চেষ্টা করছি।’ তিনি জানান, ঘটনাস্থলে তদন্ত চলছে এবং এ ঘটনায় আর কেউ আহত হয়েছে কি না, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একজন বন্দুকধারী স্কুলের করিডোরে এগিয়ে যেতে। ভিডিওটি সম্ভবত ফেসবুকে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়।
এতে বন্দুকধারীকে করিডর দিয়ে একটি শ্রেণিকক্ষে বন্দুক তাক করে গুলি চালাতে দেখা যায়।
এরপর স্কুলের ইউনিফর্ম পরা শিক্ষার্থীদের চিৎকার করতে করতে বাইরে বেরিয়ে আসতে দেখা যায়। ঘটনার পর অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর ফেসবুক অ্যাকাউন্টটি নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছে।
জাম্বোয়াঙ্গা শহরের মেয়র খাইমার ওলাসো জানান, হামলার একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, বন্দুকধারী প্রথমে একটি টেবিলে বসে থাকা শিক্ষককে লক্ষ্য করে গুলি চালায়, তবে গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। স্থানীয় একটি রেডিও স্টেশনকে মেয়র বলেন, তারপর হামলাকারী অন্য একটি কক্ষে যায় এবং সেখানে এক শিক্ষার্থীকে গুলি করে। এর আগে মেয়র হামলাকারীকে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী হিসেবে চিহ্নিত করেছিলেন, তবে পরে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়।
স্কুল কর্তৃপক্ষ আলাদাভাবে দুইজনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। একটি বিবৃতিতে স্কুল কর্তৃপক্ষ জানায়, নিহতদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীদের অভিভাবকদের সঙ্গে সমন্বয় করে তাদের সন্তানদের নিরাপদে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে থাকা অন্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
ফিলিপাইনে স্কুলে গুলির ঘটনা তুলনামূলকভাবে বিরল। তবে গত জুনে মধ্য ফিলিপাইনে গুলির ঘটনায় তিন কিশোর শিক্ষার্থী নিহত হয়েছিল এবং আরও ২০ জন আহত হয়েছিল।
গত মাসে আতেনেও দে জাম্বোয়াঙ্গা বিশ্ববিদ্যালয়, দেশজুড়ে সক্রিয় বন্দুকধারীর হামলা মোকাবিলার মহড়ায় অংশগ্রহণ করেছিল। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশে ফিলিপীনে বৈধভাবে আগ্নেয়াস্ত্র রাখার ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ রয়েছে, তারপরও দেশে আগ্নেয়াস্ত্রের একটি বড় অবৈধ বাজার বিদ্যমান।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন