প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মহেশখালীতে মার্কিন কোম্পানি এক্সিলারেট এনার্জির ভাসমান টার্মিনাল থেকে আবারও গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে।
এই পরিবর্তনটি তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) কার্গো সংকটের কারণে ঘটে। বুধবার (১৯ আগস্ট) টার্মিনালটির সরবরাহ পুরোপুরি নেমে এসেছে শূন্যের কোঠায়, কারণ পর্যাপ্ত এলএনজি মজুত উভয়ভাবে উপস্থিত নেই। বর্তমানে কেবল সামিট গ্রুপের টার্মিনাল থেকেই জাতীয় গ্রিডে এলএনজি সরবরাহ সচল রয়েছে।
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা গেছে, আজ রাত ৮টা পর্যন্ত দেশজুড়ে মোট ২১৮ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হয়েছে। এর মধ্যে দেশীয় নিজস্ব গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে এসেছে ১৬২ কোটি ঘনফুট। বাকি ৫৬ কোটি ঘনফুট সরবরাহ করা হয়েছে কেবল সামিটের টার্মিনাল থেকে।
কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হয়ে পড়ায় এটি আরও উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। নতুন কোনো এলএনজিবাহী কার্গো না আসা পর্যন্ত আমদানিকৃত গ্যাসের জন্য একমাত্র সামিটের ওপর ভরসা করতে হবে। কর্মকর্তারা আশঙ্কা করছেন যে, আকস্মিক এই ঘাটতির কারণে সারা দেশে আবাসিক, শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে গ্যাস সংকট আরও তীব্র হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
এর আগে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) বিকেলে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এক্সিলারেটের এই টার্মিনালটি হঠাৎ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। সে সময় জাতীয় গ্রিডে দৈনিক গ্যাস সরবরাহ কমে দাঁড়িয়েছিল মাত্র ১৬৫ কোটি ঘনফুটে। তবে পরে সামিট তাদের টার্মিনাল থেকে ধাপে ধাপে সরবরাহ বাড়িয়ে পরিস্থিতি সামাল দিতে পেরেছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন