প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
নিউজিল্যান্ডের পার্লামেন্ট বৃহস্পতিবার ভেঙে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার মাধ্যমে আগামী মাসের জাতীয় নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রচার কার্যক্রম শুরু হলো। নির্বাচনে ক্ষমতাসীন মধ্য-ডান জোট এবং লেবার পার্টির নেতৃত্বাধীন বামপন্থী জোটের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে।
রয়টার্সের রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী ৭ নভেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এই নির্বাচন উপলক্ষে ২৩ সেপ্টেম্বর পার্লামেন্টের শেষ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনী প্রচারে রাজনৈতিক দলগুলো জীবনযাত্রার ব্যয়, অর্থনীতি এবং সরকারি সেবা নিয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত ১নিউজ-ভেরিয়ান জনমত জরিপে দেখা গেছে, লেবার পার্টির নেতৃত্বাধীন জোট সরকার গঠন করতে সক্ষম হতে পারে। জরিপে এই জোট ৬৫টি আসন পেতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছে। অন্যদিকে, ক্ষমতাসীন ন্যাশনাল, অ্যাক্ট ও নিউজিল্যান্ড ফার্স্টের জোট ৫৯টি আসন পেতে পারে।
নিউজিল্যান্ডে জার্মানির মতো মিশ্র সদস্য আনুপাতিক নির্বাচনব্যবস্থা কার্যকর রয়েছে। প্রায় ৩০ বছর আগে এই ব্যবস্থা চালু হওয়ার পর থেকে দেশটিতে জোট সরকার গঠন একটি সাধারণ বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে ছোট দলগুলোও সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। নিউজিল্যান্ডের পার্লামেন্টে সাধারণত ১২০টি আসন থাকে। তবে কোনো দল জাতীয় ভোটের অনুপাতে পাওয়ার চেয়ে বেশি নির্বাচনী আসনে জয়ী হলে পার্লামেন্টে অতিরিক্ত আসন যোগ হতে পারে।
জনমত জরিপগুলো নির্দেশ করছে, প্রায় এক দশক আগে গঠিত মধ্যপন্থী অপরচুনিটি পার্টি এবারের নির্বাচনে সরকার গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। বিদেশে থাকা নিউজিল্যান্ডের নাগরিকদের ভোট দেওয়া শুরু হবে ২১ অক্টোবর। আর আগাম ভোট শুরু হবে ২৬ অক্টোবর।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন