প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
প্যারোলে মুক্তি পেয়ে, সাড়ে ১১ ঘণ্টার জন্য বাবার জানাজায় অংশ নিয়েছেন হাতকড়া পরা অবস্থায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা মো. শাহাদাৎ নবী খোকা।
সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুরে জানাজা শেষে, কড়া নিরাপত্তার মধ্যে, চন্দনাইশ উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ও সাবেক ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক কেন্দ্রীয় উপকমিটির সদস্য মো. শাহাদাৎ নবী খোকাকে আবারও কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে নেয়া হয়।
এর আগে ভোর ৪টায় কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে প্যারোলে মুক্তি দেয়া হয় তাকে। এরপর বাদ জোহর, উপজেলার চন্দনাইশ পৌরসভা ৪নং ওয়ার্ড মধ্যম হারলা নাজির আলী কেরানীবাড়ি জামে মসজিদের ঈদগাহ মাঠ প্রাঙ্গণে, তার বাবা নুর নবী সওদাগরের জানাজায় অংশ নেন তিনি।
মো. শাহাদাৎ নবী খোকা যিনি, তার বাবা নুর নবী সওদাগর (৯০) রোববার (১৬ আগস্ট) ভোর ৫টার দিকে, চন্দনাইশ পৌরসভার নিজ বাসভবনে বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তিনি ৬ ছেলে ও ২ মেয়ে রেখে গেছেন।
পরিবার সূত্রে জানা যায়, বাবার মৃত্যুর পর, জানাজায় অংশ নেয়ার জন্য মো. শাহাদাৎ নবী খোকার প্যারোলে মুক্তির আবেদন করা হয়। পরে, কারা কর্তৃপক্ষ তাকে সাড়ে ১১ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেয়।
পুলিশের একটি প্রিজনভ্যানে, কড়া নিরাপত্তার মধ্যে তাকে চন্দনাইশে নেয়া হয়। প্রিজনভ্যান থেকে নেমে, বাবার মরদেহ দেখার পর, কান্নায় ভেঙে পড়েন মো. শাহাদাৎ নবী খোকা। এই কান্নায় উপস্থিত স্বজন ও অন্যান্যদেরও আবেগাপ্লুত হতে দেখা যায়। এ সময় জানাজাস্থলে শোকাবহ পরিবেশ সৃষ্টি হয়। জানাজা শেষে, বাবাকে কবরস্থানে দাফন করা হয়।
এ বিষয়ে, চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম দিদারুল ইসলাম সিকদার জানান, মো. শাহাদাৎ নবী খোকার বিরুদ্ধে, ঢাকা ধানমণ্ডী থানায় মামলা রয়েছে। এ সকল মামলায় তিনি বর্তমানে কাশিমপুর কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন। বাবার মৃত্যুর পর জানাজায় অংশ নেয়ার জন্য, তাকে সাড়ে ১১ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেয়া হয়েছে। জানাজা শেষে, তাকে আবার কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
জানাজায়, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতাকর্মী এবং সর্বস্তরের মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন