প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজীপুরের টঙ্গীর মাজার বস্তি উচ্ছেদ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। একদিকে, স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন যে, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় মাদক সেবন এবং মাদক সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডের অভিযোগ ছিল। অন্যদিকে, উচ্ছেদের ফলে বস্তিতে বসবাসকারী অসংখ্য মানুষ তাদের ঘরবাড়ি হারিয়ে ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন।
স্থানীয়দের একটি অংশের দাবি, মাদক নিয়ন্ত্রণ এবং অপরাধপ্রবণতা কমাতে বস্তি উচ্ছেদের উদ্যোগটি ইতিবাচক। তাদের অভিযোগ, মাজার বস্তিতে বিপুলসংখ্যক মানুষ একত্রে মাদক সেবন করতেন, ফলে এলাকাটি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ ছিল।
তবে, বস্তিবাসীদের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে সামনে এসেছে। উচ্ছেদের ফলে অনেক পরিবার তাদের বসতঘর এবং প্রয়োজনীয় সামগ্রী হারিয়েছেন। যদি তাদের পুনর্বাসন বা বিকল্প আবাসনের ব্যবস্থা না করা হয়, তাহলে দুর্ভোগ আরও বাড়তে পারে বলে স্থানীয়রা মনে করছেন।
এখন প্রশ্ন উঠছে—শুধু একটি বস্তি উচ্ছেদ করলেই কি মাদক নিয়ন্ত্রণ সম্ভব? নাকি এতে মাদক সেবনের স্থান পরিবর্তিত হয়ে তা আশপাশের অন্য এলাকায় ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে?
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, মাদক নিয়ন্ত্রণে উচ্ছেদের পাশাপাশি নিয়মিত অভিযান, মাদক বিক্রির উৎস বন্ধ করা, মাদকাসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন এবং ক্ষতিগ্রস্ত বস্তিবাসীদের মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি।
টঙ্গীর মাজার বস্তি উচ্ছেদ—সমাধান, নাকি সমস্যার নতুন অধ্যায়?
এই প্রশ্নের উত্তর এখন সময়ই দেবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন