প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের সমাধান সাময়িক বিরতি বা জোড়াতালির ভিত্তিতে সম্ভব নয়, বরং এই যুদ্ধের অবসানে একটি দীর্ঘমেয়াদী স্থায়ী শান্তি চুক্তির প্রয়োজন রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্টের কূটনৈতিক উপদেষ্টা ড. আনোয়ার মোহাম্মদ গারগাশ। মার্কিন সাময়িকী ফরেন অ্যাফেয়ার্স-কে দেওয়া এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে তিনি এ বিষয়ে আহ্বান জানান।
ড. গারগাশ বলেন, "আমাদের এমন এক শান্তি প্রক্রিয়ার দিকে এগোতে হবে যা দীর্ঘস্থায়ী হবে। তিন, চার বা পাঁচ মাস পর আবার যাতে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ে, তেমন কোনো ক্ষণস্থায়ী সমাধান বা অকার্যকর সমঝোতা আমরা চাই না।"
এই জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক জোর দিয়ে জানান, টেকসই শান্তির জন্য কেবল ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক আলোচনা যথেষ্ট নয়। বরং ইরান এবং উপসাগরীয় দেশগুলোর (জিসিসি) মধ্যে সরাসরি ও সুনির্দিষ্ট দ্বিপাক্ষিক আলোচনা শুরু হওয়া অত্যন্ত জরুরি।
সাক্ষাৎকারে ড. গারগাশ উল্লেখ করেন, শুরু থেকেই ইউএই যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধের ছড়িয়ে পড়া এবং দীর্ঘায়িত হওয়ার বিষয়ে সতর্ক করে আসছিল। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইরানের পক্ষ থেকে আরব আমিরাতকে লক্ষ্য করে প্রায় ৩,৩০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়, যার ৯৫ শতাংশই ছিল বেসামরিক অবকাঠামো কেন্দ্রিক। তবে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে দেশটি এর বেশিরভাগ হামলা প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, "সাময়িক উত্তেজনার পর কূটনীতিক ও ভৌগোলিক বাস্তবতার স্বার্থে ইরানের সাথে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হতে পারে, তবে সাম্প্রতিক হামলার কারণে ভঙ্গ হওয়া পারস্পরিক বিশ্বাস পুনরুদ্ধার হতে বেশ দীর্ঘ সময় লাগবে।"
একই সাথে তিনি মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি ভৌগোলিক-অর্থনৈতিক (Geo-economic) অগ্রগতি ও কৌশলগত স্বাবলম্বিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন