প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সুপ্রীম কোর্টের এডভোকেট ড. খন্দকার মারুফ হোসেন মন্তব্য করেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মানবিকতা, সততা, দেশপ্রেম ও দৃঢ়তা জনগণের স্বপ্ন পূরণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক শক্তি। তাঁর গতিশীল নেতৃত্বের মাধ্যমে কুচক্রী মহলের সকল ষড়যন্ত্রের মোকাবেলা করে বাংলাদেশ গণতন্ত্র, উন্নয়ন এবং সুস্থ ধারার রাজনীতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। ইনশাআল্লাহ, কোনো অপশক্তি দেশের উন্নয়ন ও গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করতে সক্ষম হবে না। জনগণের প্রতিবাদের ঝড়ে স্বার্থান্বেষী মহলের গভীর ষড়যন্ত্র ও সহিংসতার অপচেষ্টা খড়কুটার মতো উড়ে যাবে।
মঙ্গলবার (৫ অক্টোবর) দাউদকান্দি উপজেলার মোল্লাকান্দি লাল মিয়া পাইলট হাইস্কুল এন্ড কলেজ ক্যাম্পাস মাঠে অনুষ্ঠিত 'নবীন বরন ও বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় পুরস্কার বিতরণ' অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ড. খন্দকার মারুফ আরও উল্লেখ করেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আমাদের গর্ব এবং অহংকার। তিনি জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে দূরদর্শী ও দৃঢ়প্রত্যয়ী ভাষণ প্রদান করে বিশ্বনেতাদের প্রশংসা অর্জন করেছেন। এই ভাষণের গুরুত্ব অপরিসীম। এতে দেশের জাতীয় স্বার্থ ও আকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটেছে, যা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দেশের মর্যাদা এবং অবস্থানকে আরও সুদৃঢ় করবে। তিনি দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে উজ্জীবিত করেছেন। বিশ্বের রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের মধ্যে একমাত্র 'প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান' জিয়া পরিবারের ৩য় সদস্য হিসেবে ভাষণ দিয়ে ইতিহাস সৃষ্টি করেছেন। জাতি হিসেবে আমরা সম্মানিত হয়েছি এবং এর ফলে আগামী দিনে দেশ ও জনগণের জন্য কল্যাণ বয়ে আসবে।
তিনি দৃঢ়তার সাথে বলেন, তারেক রহমান ফ্যামিলি, ফার্মার্স ও ই-হেলথ কার্ডসহ সামাজিক সুরক্ষার সুবিধাগুলো সমন্বয় করে ভবিষ্যতে একটি ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর পরিকল্পনা করছেন। এই কার্ডের মাধ্যমে মধ্যস্বত্বভোগী ছাড়াই ব্যাংক বা মোবাইল ওয়ালেটে সরাসরি প্রণোদনা পৌঁছানো এবং কৃষি ভর্তুকি ও চিকিৎসাসেবা সহজতর হবে।
ড. খন্দকার মারুফ আরও বলেন, স্বাধীনতার পরে ফ্যাসিস্ট দলটি যতবারই ক্ষমতায় এসেছে, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে পড়েছে। তারা নিজেদের স্বার্থ জলাঞ্জলি দিয়ে পার্শ্ববর্তী দেশের স্বার্থ সংরক্ষণে ব্যস্ত ছিল।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, বিএনপি যখনই ক্ষমতায় থাকে, শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকে এবং শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়ন ঘটে। বিএনপি সরকার সব পাবলিক পরীক্ষা নকলমুক্ত করে শিক্ষাক্ষেত্রে অনন্য নজির সৃষ্টি করেছে। বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার শিক্ষাঙ্গণে সীট দখল, অরাজক পরিস্থিতি তৈরী এবং ঢালাওভাবে পাশের হার বাড়িয়ে শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমূলে ধ্বংস করেছে। শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে তারা কোনো কাজই করেনি। বর্তমান সরকারের শিক্ষাঋণ এবং উচ্চশিক্ষার জন্য বিশেষ সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, নারীদের জন্য স্নাতকোত্তর এবং ছেলেদের জন্য স্নাতক পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমরাই আগামী দিনে দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ কর্ণধার হবে এবং দেশ পরিচালনার দায়িত্ব পালন করবে। নিজেদের সুশিক্ষিত ও যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে লেখাপড়ায় অধিক মনোযোগ দিতে হবে। অনাহুত ঘোরাঘুরি ও আড্ডাবাজিতে গা ভাসাবে না।
কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি মো. সাইদুল ইসলাম সুমনের সভাপতিত্বে এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ মো. জামাল হোসেন মজুমদার। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা সাইফুল আলম ভুইয়া, দাউদকান্দি পৌর বিএনপির সাবেক আহবায়ক নূর মোহাম্মদ সেলিম সরকার, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক পিটার চৌধুরী, ভিপি শাহাবুদ্দিন ভুইয়া, শরীফ চৌধুরী, রোমান খন্দকার, কামাল হোসেন ও আবদুল কাদের প্রমুখ।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন