প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
দেশের সবচেয়ে বড় রাজস্ব আহরণকারী প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কার্যালয় আগামী ১ নভেম্বর থেকে অস্থায়ীভাবে নগরের আগ্রাবাদের ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে স্থানান্তরিত হতে যাচ্ছে। নতুন ভবন নির্মাণকাজ বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই অস্থায়ী ঠিকানা থেকেই যাবতীয় দাপ্তরিক কার্যক্রম পরিচালিত হবে। পরিকল্পনা রয়েছে আগামী ১ ডিসেম্বর থেকে পুরো কার্যক্রম ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার থেকে পরিচালনার।
গতকাল বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার ও মুখপাত্র শরীফ আল আমিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ১ নভেম্বর প্রথম ধাপে কাস্টমের সাতটি গ্রুপ ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে দাপ্তরিক কাজ শুরু করবে। কার্যক্রম পুরোপুরি স্থানান্তরে প্রায় এক মাস সময় লাগবে।
এদিকে, চট্টগ্রাম কাস্টম এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশন গত ২৮ অক্টোবর এক বিজ্ঞপ্তিতে ১ নভেম্বর থেকে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে অস্থায়ী কার্যালয় চালুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। প্রথম ধাপে শুল্কায়ন সেকশন-৮(সি), ৮(ডি) এবং সাব-টিম-১২, ১৩, ১৪, ১৫ ও ১৬ গ্রুপের শুল্কায়নসহ অন্যান্য কার্যক্রম ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে সম্পন্ন হবে।
চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের জন্য দ্য চিটাগং চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিসিআই) মালিকানাধীন ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে এক লাখ ৫৬ হাজার ৬০০ বর্গফুট অফিস ও আট হাজার বর্গফুট গ্যারেজের জায়গা ভাড়া নেওয়ার চুক্তি হয়েছে। চলতি বছরের ৫ মে ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের কনফারেন্স হলে এই চুক্তি সই হয়।
চট্টগ্রাম চেম্বার প্রশাসক ও চট্টগ্রামের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (সার্বিক) মো. মোতাহার হোসেন এবং চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের কমিশনার মোহাম্মদ শফি উদ্দিন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে সই করেন।
চট্টগ্রাম চেম্বারের পরিচালক ও চট্টগ্রাম কাস্টম অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য মো. ইসমাইল খান এ সময় বলেন, ‘চট্টগ্রামে এত বড় পরিসরে দাপ্তরিক জায়গা আর কোথাও নেই।’
দেশের প্রথম ও একমাত্র এই ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারটি নিউইয়র্কভিত্তিক ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যভুক্ত একটি প্রতিষ্ঠান। প্রায় সাত লাখ বর্গফুটের ২৪ তলা এই আধুনিক ভবনটিতে রয়েছে নানা সুযোগ-সুবিধা : ১৪টি লিফট এবং তিনটি বেইসমেন্টে ২৫০টি গাড়ি পার্কিংয়ের সুবিধা ও হেলিপ্যাড। চতুর্থ তলায় মাল্টিমিডিয়া সুবিধাসহ ৩০০ আসনের কনফারেন্স হল এবং ৬০ আসনের সেমিনার হল। সেন্ট্রাল এয়ারকন্ডিশন (এসি) সিস্টেম। পিডিবি থেকে এক্সপ্রেস ফিডারের মাধ্যমে ২.৪ মেগাওয়াট বৈদ্যুতিক সাবস্টেশন। অফিস সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য দুটি এক হাজার ৭৩৫ কেভিএ জেনারেটর। উন্নত অগ্নিনিরাপত্তাব্যবস্থা, জরুরি বহির্গমন পথ এবং ইন্টিগ্রেটেড বিল্ডিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন