প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
উত্তর-পূর্ব ইরানের পবিত্র নগরী মাশহাদ, ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে শেষ বিদায় জানাতে প্রস্তুত হচ্ছে। আজ বৃহস্পতিবার, স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় তাকে সমাহিত করা হবে। এটি শুরু হচ্ছে, ইরাক ও ইরানের বিভিন্ন পবিত্র নগরীতে ছয় দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় ও শোকানুষ্ঠানের সমাপ্তির পর। মার্কিন-ইসরায়েলি বিমান হামলায় নিহত এই নেতার দাফন সম্পন্ন করার মাধ্যমে শেষ হতে যাচ্ছে নজিরবিহীন এক শোকের অধ্যায়।
মাশহাদের গভর্নর হাসান হোসেইনি জানিয়েছেন, বিদায়ী এই অনুষ্ঠানে প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ মানুষের সমাগম ঘটবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ইরানের শীর্ষস্থানীয় সরকারি কর্মকর্তা ও লাখো শোকার্ত জনতা লাল পতাকা হাতে মশহাদের রাস্তায় অবস্থান নিয়েছেন। এর আগে, ইরাকের পবিত্র নগরী নাজাফ ও কারবালায় খামেনির কফিনে শেষ শ্রদ্ধা জানাতে লাখ লাখ মানুষ জড়ো হয়েছিল।
ইরাকি পপুলার মোবিলাইজেশন ফোর্সের তথ্যমতে, কেবল নাজাফেই ২৩ লাখের বেশি মানুষ এই শোকমিছিলে অংশ নিয়েছে। ইরাক সীমান্ত থেকে মাশহাদের দূরত্ব প্রায় দেড় হাজার কিলোমিটার হওয়ায় এবং জনগণের উপচে পড়া ভিড়ের কারণে পূর্বনির্ধারিত সকাল ৬টার অনুষ্ঠান পরে দুপুর ২টায় নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে গত বুধবার বিকেল থেকেই মশহাদের সড়কগুলো আমেরিকা নিপাত যাক স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে। বিমানবন্দর থেকে শুরু করে মেট্রো স্টেশন; সব জায়গাই ঢেকে গেছে কালো ব্যানারে। ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচিসহ একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল ইরাকের শোকানুষ্ঠানে সশরীরে উপস্থিত ছিলেন।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন