প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন প্রেসিডেন্টের ইচ্ছার ভিত্তিতে সিএনএন, এমএস নাউ এবং পলিটিকো-কে হোয়াইট হাউসের বিভিন্ন এলাকা থেকে নিষিদ্ধ বা দূরে রাখা হতে পারে। মঙ্গলবার গভীর রাতে ফেডারেল আদালতে একটি নথিতে মার্কিন বিচার বিভাগ এই দাবি করেছে। আইনজীবীদের যুক্তি হলো, ইরান যুদ্ধ এবং হোয়াইট হাউসে বলরুম নির্মাণের বিষয়ক এই সংবাদমাধ্যমগুলোর কভারেজ একটি জাতীয় নিরাপত্তার ঝুঁকি সৃষ্টি করতে পারে, যা এই নিষেধাজ্ঞাকে যৌক্তিকতা প্রদান করে।
সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার ক্ষেত্রে মার্কিন সংবিধানের প্রথম সংশোধনীর সুরক্ষা থাকা সত্ত্বেও, ট্রাম্প প্রশাসনের দাখিল করা নথিতে যুক্তি উপস্থাপন করা হয়েছে যে, 'হোয়াইট হাউসে প্রবেশাধিকার হলো একটি সুযোগ, কোনো অধিকার নয়।' এই নথিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে, হোয়াইট হাউস কমপ্লেক্সের ভেতরে থাকা জাতীয় নিরাপত্তার তথ্য সুরক্ষার জন্য ট্রাম্প চাইলে হোয়াইট হাউসের ব্যক্তিগত বা গোপনীয় অঞ্চলগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন।
বিচার বিভাগ আদালতের কাছে জমা দেওয়া নথিতে লিখেছে, 'কমপক্ষে, সরকার দৃষ্টিভঙ্গিভিত্তিক বৈষম্যমূলক কারণেও ওভাল অফিসের মতো রাষ্ট্রপতির সংরক্ষিত এলাকাগুলোতে সাংবাদিকদের প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করতে পারে।'
নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে, প্রেসিডেন্ট লক্ষ্য করেছেন যে বাদীরা এমন কিছু রিপোর্টিংয়ের ঘটনার সঙ্গে জড়িত ছিলেন, যা জাতীয় নিরাপত্তাকে হুমকির মুখে ফেলেছিল। এ ধরনের রিপোর্টিং সরাসরি জাতীয় নিরাপত্তাসংক্রান্ত উদ্বেগ তৈরি করে। ওয়াশিংটন ডিসিতে ফেডারেল বিচারক টিমোথি কেলির সামনে একটি জরুরি শুনানির আগের সন্ধ্যায় এই নথিপত্রগুলো জমা দেওয়া হয়।
গত শুক্রবার, ডোনাল্ড ট্রাম্প হোয়াইট হাউসে সিএনএন, এমএস নাও এবং পলিটিকোর প্রবেশাধিকার নিষিদ্ধ করেন। সোমবার, তিনটি গণমাধ্যম আদালতের কাছে হোয়াইট হাউসে তাদের প্রবেশাধিকার অবিলম্বে ফিরিয়ে দেওয়ার আবেদন জানিয়ে মামলা করে। আজ এ মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হতে পারে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন