প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মহাসড়কগুলোতে তীব্র যানজট ও দুর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য প্রয়োজনে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করে বিশ্বরোডসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোকে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশামুক্ত করার দাবি তুলেছেন আলোচিত ইসলামিক বক্তা রফিকুল ইসলাম মাদানী।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে তিনি এই মন্তব্য করেন। তার পোস্টটি যুগান্তরের পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো-
‘অটোরিকশা নিয়ন্ত্রণ ও বিকল্প কর্মসংস্থান!
বিশ্বরোডে অটোরিকশা চালানোর আন্দোলন প্রয়োজনে কঠোর অবস্থানে গিয়ে হলেও বন্ধ করতে হবে। এই অটোরিকশাগুলোর কারণে সড়কে যে পরিমাণ যানজট সৃষ্টি হয়, তা অকল্পনীয়। শহরের প্রধান সড়ক তো আছেই, গ্রামীণ বাজারগুলোতেও চলাচল করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।
এদের মধ্যে নেই ন্যূনতম ড্রাইভিং প্রশিক্ষণ, এবং সড়কে চলাচলের নিয়মাবলী যথাযথভাবে মানার অভাব রয়েছে। যে এলাকায় ১০টি অটো যথেষ্ট, সেখানে দেখা যায় ৩০টি অটো। এর ফলে যানজট, সড়ক দুর্ঘটনা এবং মানুষের কর্মঘণ্টা নষ্ট— সবকিছুই বৃদ্ধি পাচ্ছে।
দেখুন, বিষয়টি শুধুমাত্র সহানুভূতির নয়; এটি দেশের সার্বিক যানজট কমানো, কর্মঘণ্টা সুরক্ষা, সড়ক দুর্ঘটনা হ্রাস এবং জনসাধারণের নির্বিঘ্ন চলাচলের মতো অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় জড়িত।
তবে যারা অটোরিকশা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন, তাদের হঠাৎ করে বেকার করে দেওয়া সমাধান নয়। সরকারকে পরিকল্পিতভাবে তাদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে— প্রয়োজনে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ, ক্ষুদ্র ব্যবসার সুযোগ, সহজ শর্তে ঋণ বা অন্য কোনো কর্মমুখী ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।
মানুষের জীবিকার বিষয়টি বিবেচনা করে সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে হবে। জনস্বার্থে বিশ্বরোডসহ গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোকে অটোরিকশার অবাধ চলাচল থেকে মুক্ত করার কার্যকর ও দীর্ঘমেয়াদি ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন সময়ের দাবি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন