প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ইসরাইলের যুদ্ধ কখনোই শেষ হবে না বললেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) টেলিভিশন চ্যানেল ১৪ নিউজে দেওয়া এক দীর্ঘ ও বিরল সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন। সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন করা হয়, এই অঞ্চলে কি ইসরাইলের যুদ্ধ শেষ হওয়ার পথে? এ প্রশ্নের জবাবে তিনি ইঙ্গিত দেন যে, সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকবে।
হামাস ও হিজবুল্লাহ নেতাদের হত্যা এবং গাজা, লেবানন ও সিরিয়ার বিভিন্ন অংশে সামরিক উপস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি জানান, "আমরা অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছি।"
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের শুরু করা সাম্প্রতিক সংঘাতের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, "আমরা ভয়ের দেয়াল ভেঙে দিয়েছি। ৪৭ বছর ধরে কেউ ইরানে হামলা চালানোর সাহস করেনি।"
৭ অক্টোবর ২০২৩-এ হামাস-নেতৃত্বাধীন হামলার পরপরই নেতানিয়াহুর দেওয়া 'নিশ্চিত বিজয়' অর্জনের লক্ষ্যটি এখনো অর্জনযোগ্য কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, "এর কোনো শেষ নেই।"
নেতানিয়াহু আরও বলেন, "আপনি যদি মধ্যপ্রাচ্যে এবং এই বিশ্বে বাঁচতে চান, তবে আপনাকে অত্যন্ত শক্তিশালী হতে হবে। ইসরাইল এখন অতীতের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি শক্তিশালী।"
সাক্ষাৎকারের এক পর্যায়ে নেতানিয়াহু বলেন, ইসরাইল যে যুদ্ধের লক্ষ্য অর্জন করতে পারবে, তা ‘কেউ বিশ্বাস করেনি’। কথাটি বলেই তিনি দর্শকদের দিকে ঘুরে জিজ্ঞেস করেন, "কেউ কি হাততালি দিচ্ছেন না?" এরপর উপস্থিত দর্শকরা হাততালি দিয়ে ওঠেন।
গাজার বাসিন্দাদের ‘দেশান্তর’ করার বিষয়টি এখনো বিবেচনায় আছে কিনা, এমন প্রশ্নের জবাবে নেতানিয়াহু সাক্ষাৎকার গ্রহণকারীকে শুধরে দিয়ে বলেন, "স্বেচ্ছায় দেশান্তর।" মূলত ফিলিস্তিনিদের গাজা থেকে বিতাড়িত করার ইসরাইলি প্রলোভনমূলক শব্দ এটি। তিনি আরও বলেন, "আমি কথা কম বলতে এবং কাজ বেশি করতে পছন্দ করি।"
গাজায় ইহুদি বসতি স্থাপনের বিষয়ে জানতে চাইলে একই ভঙ্গিতে তিনি উত্তর দেন, "বড় প্রশ্ন হলো—আপনি কাজ করবেন, নাকি কেবল কথাই বলবেন।"
নেতানিয়াহু জানান, বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন দেশের চাপের মুখে রয়েছে ইসরাইল। তবে তিনি বলেন, "প্রতি মুহূর্তে এবং প্রতিটি বিষয়ে পুরো বিশ্বকে আমার চ্যালেঞ্জ জানানোর দরকার নেই।"
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন