প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্ববিখ্যাত ‘টাইটানিক’ সিনেমার ‘মাই হার্ট উইল গো অন’ গানটির মাধ্যমে কোটি মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নেওয়া কানাডিয়ান পপসংগীতশিল্পী সেলিন ডিওন বর্তমানে একটি বিরল ও জটিল স্নায়বিক রোগের সাথে লড়াই করছেন। দীর্ঘ সময় অসুস্থ থাকার কারণে তিনি কয়েক বছর ধরে মঞ্চ থেকে দূরে ছিলেন।
অবশেষে, সকল বাধা অতিক্রম করে সেলিন ডিওন কনসার্টে ফিরে এসেছেন। দীর্ঘ ছয় বছর পর প্যারিস লা ডিফেন্স অ্যারেনায় তার প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে ব্যাপক উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায়।
প্রায় ৩০ হাজার দর্শকের করতালিতে পুরো ভেন্যু মুখরিত হয়ে ওঠে। মঞ্চে ফিরে আবেগ সামলাতে পারেননি ৫৮ বছর বয়সী এই সংগীতশিল্পী। গান শেষে দর্শকদের ভালোবাসায় তিনি আপ্লুত হয়ে পড়েন। পরিবেশনা শেষে মঞ্চেই কান্নায় ভেঙে পড়েন সেলিন ডিওন।
আবেগঘন কণ্ঠে সেলিন ডিওন বলেন, ‘আমি একটা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। কথা দিয়েছিলাম— আমি আবার মঞ্চে ফিরব। আজ আমি এখানে-আপনাদের জন্য এবং নিজের জন্য গাইছি। আপনারা আমাকে ভালোবেসেছিলেন বলেই আজ আমি এ জায়গায়।’
এর আগে, ২০২২ সালে সেলিন ডিওনের শরীরে ‘স্টিফ পারসন সিন্ড্রোম’ নামক এক বিরল স্নায়বিক রোগ ধরা পড়ে। সাধারণত এই রোগের কারণে শরীরের পেশি শক্ত হয়ে যায় এবং তীব্র খিঁচুনির সমস্যা দেখা দিতে পারে। ফলে তার স্বাভাবিক জীবনযাপন এবং গান গাওয়াও কঠিন হয়ে ওঠে।
সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেলিন ডিওন এই রোগের তার কণ্ঠ ও শরীরে প্রভাব নিয়ে কথা বলেন। তিনি জানান, অনেক সময় তার মনে হতো যেন কেউ গলা টিপে ধরছে। স্বরযন্ত্রে তীব্র চাপ পড়ায় উঁচু কিংবা নিচু সুরে গান গাওয়াও তার জন্য কঠিন হয়ে গিয়েছিল।
এ সংগীতশিল্পী আরও বলেন, শুধু কণ্ঠ নয়, শরীরের বিভিন্ন অংশেও ভয়াবহ প্রভাব পড়েছিল। কখনো কখনো হাত-পায়ের আঙুল এমনভাবে শক্ত হয়ে যেত যে, তা সোজা করাও সম্ভব হতো না। রোগের তীব্রতা এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল যে একবার তার বুকের পাঁজরও ভেঙে গিয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন