প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
হরমুজ প্রণালির বন্ধ থাকার কারণে জ্বালানির দাম বৃদ্ধি পাওয়ার প্রেক্ষাপটে, আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার (আইইএ) সদস্য দেশগুলো জরুরি মজুদ থেকে দ্রুত তেল ছাড়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। এর ফলে বাজারে তেলের সরবরাহ বাড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
আইইএর নির্বাহী পরিচালক ফাতিহ বিরোল জানিয়েছেন, সদস্য দেশগুলো ২০২৬ সালের মার্চে গৃহীত যৌথ পদক্ষেপ বাস্তবায়নের জন্য তাদের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। এই সিদ্ধান্তের আওতায়, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট সরবরাহ সংকট মোকাবেলায় জরুরি মজুদ থেকে ৪০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
আলজাজিরার এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি জি-৭ দেশগুলোর ওপর চাপ প্রয়োগ করেন যাতে তারা জ্বালানির বাজারে সরবরাহ বৃদ্ধি করে। তিনি সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে, যদি জি-৭ দেশগুলো বাজারে জ্বালানি সরবরাহ না বাড়ায়, তবে যুক্তরাষ্ট্র ডিজেল রপ্তানি নিষিদ্ধ করতে পারে। এর পরবর্তী সময়ে, আগামী শুক্রবার জি-৭ প্রায় ১০ কোটি ব্যারেল তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।
একটি বিবৃতিতে ফাতিহ বিরোল জানান, যৌথ সিদ্ধান্তের আওতায় ইতোমধ্যে প্রায় ৩২ কোটি ৫০ লাখ ব্যারেল তেল বাজারে ছাড়ানো হয়েছে। প্রতিশ্রুত কিন্তু এখনও বাজারে আসা মজুদের সম্পূর্ণ পরিমাণ ছাড়লে, আরও প্রায় ১০ কোটি ব্যারেল তেল সরবরাহ করা সম্ভব হবে।
তিনি আরও জানান, আইইএর কিছু সদস্য দেশ প্রাথমিকভাবে যে পরিমাণ তেল ছাড়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তার চেয়ে বেশি তেল বাজারে ছেড়েছে। বর্তমানে আইইএভুক্ত দেশগুলোর সরকারি জরুরি তেল মজুদের পরিমাণ প্রায় ১১০ কোটি ব্যারেল, যার মধ্যে ২০ কোটিরও বেশি ব্যারেল ডিজেল রয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন