প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বলিউডের জনপ্রিয় অ্যাকশন ও গ্যাংস্টারধর্মী সিনেমার নির্মাতা এবং প্রযোজক সঞ্জয় গুপ্ত আর বেঁচে নেই। মুম্বাইয়ে তার নিজ বাসভবনে এক অপ্রত্যাশিত দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু ঘটে। মৃত্যুর সময় তার বয়স ছিল ৫৭ বছর।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, গত শুক্রবার রাতে সঞ্জয় গুপ্ত বাড়ির বাথরুমে পড়ে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান। তবে পরিবারের সদস্যরা রাতের ঘটনার গুরুত্ব তাৎক্ষণিকভাবে বুঝতে পারেননি। পরের দিন সকালে তার মৃত্যু সংবাদ প্রকাশ পায়। খবর পেয়ে ভারসোভা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে অপমৃত্যুর মামলা রুজু করেছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ জানার জন্য তদন্ত চলছে। তবে পুলিশ জানিয়েছে, মৃত্যুর ঘটনায় সন্দেহজনক কিছু পাওয়া যায়নি।
চলচ্চিত্র নির্মাতা মিলাপ জাভেরি সঞ্জয় গুপ্তের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন। তার আকস্মিক প্রয়াণে শোক প্রকাশ করেছেন বলিউডের আরেক নির্মাতা অশোক পণ্ডিত। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোকবার্তায় তিনি সঞ্জয়কে একজন প্রাণবন্ত ব্যক্তিত্ব ও নিবেদিত চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে স্মরণ করেছেন।
সঞ্জয় গুপ্ত ১৯৯৪ সালে ‘আতিশ: ফিল দ্য ফায়ার’ সিনেমার মাধ্যমে পরিচালনায় অভিষেক করেন। তবে ২০০২ সালে মুক্তি পাওয়া ‘কাঁটে’ সিনেমাটি তাকে ব্যাপক পরিচিতি এনে দেয়। এই সিনেমায় অমিতাভ বচ্চন, সঞ্জয় দত্ত, সুনীল শেঠি ও লাকি আলীর মতো তারকারা ছিলেন, যা বলিউডে তার অবস্থানকে দৃঢ় করে।
এরপর তিনি ‘শুটআউট অ্যাট লোখান্ডওয়ালা’, ‘শুটআউট অ্যাট ওয়াডালা’, ‘জাজবা’, ‘কাবিল’ ও ‘মুম্বাই সাগা’র মতো সিনেমা নির্মাণ করেন। বিশেষ করে অপরাধজগত, গ্যাংস্টার ও অ্যাকশননির্ভর গল্প বলার স্বতন্ত্র ধরন তাকে আলাদা পরিচিতি দিয়েছিল।
তবে তার ক্যারিয়ার সবসময় মসৃণ ছিল না। অভিনেতা সঞ্জয় দত্তের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি হওয়ার পর তিনি দীর্ঘ সময় কাজের সুযোগ পাননি। একসময় হতাশ হয়ে চলচ্চিত্র নির্মাণ ছেড়ে দেওয়ার কথাও ভাবেন। এমনকি জীবিকার প্রয়োজনে খান্ডালার একটি হোটেলে চাকরি শুরু করেছিলেন। পরে ‘শুটআউট অ্যাট ওয়াডালা’ দিয়ে আবার পরিচালনায় ফিরে আসেন। তার আকস্মিক মৃত্যুতে বলিউডে শোকের আবহ তৈরি হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন