প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাসম্পন্ন ইন্টারন্যাশনাল ম্যাথমেটিকাল অলিম্পিয়াড (আইএমও)-এ এতকাল শতভাগ নম্বর অর্জন ছিল হাতে গোনা কিছু মেধাবী শিক্ষার্থীর প্রতিভা। তবে এবার এটি ঘটল প্রথমবারের মতো, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও (এআই) পূর্ণ নম্বর অর্জন করেছে।
চীনের দুইটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, হুয়াওয়ে ও শিয়াওহংশু জানিয়েছে, তাদের এআই মডেল এবছরের আন্তর্জাতিক গণিত অলিম্পিয়াডে (আইএমও) মানব প্রতিযোগীদের জন্য নির্ধারিত প্রশ্নে শতভাগ নম্বর লাভ করেছে।
বার্তা সংস্থা এএফপি সাংহাই থেকে এ খবর জানিয়েছে। এআই গবেষণাগারগুলোর মধ্যে তারা প্রথম যারা নিজেদের ফলাফল প্রকাশ করেছে।
শিয়াওহংশু এ সপ্তাহে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ‘এই ফলাফল আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দকর।’
প্রতিষ্ঠানটি আরও উল্লেখ করেছে, ‘এর আগে আইএমওর আনুষ্ঠানিক মূল্যায়ন পদ্ধতিতে কোনো বৃহৎ ভাষা মডেল কখনও শতভাগ নম্বর অর্জন করতে সমর্থ হয়নি।’ বড় ভাষা মডেলটিই এআই টুল পরিচালনার মূল প্রযুক্তি।
২০২৫ সালে গুগল ও ওপেনএআই-এর তৈরি মডেল প্রথমবারের মতো স্বর্ণপদক-সমমানের নম্বর লাভ করেছিল; তবে তারা শতভাগ নম্বর পাওয়া পাঁচজন মানব প্রতিযোগীর সমকক্ষ হতে পারেনি।
-এআইয়ের নতুন মাইলফলক-
এ বছর সাংহাইয়ে অনুষ্ঠিত আইএমওতে বিভিন্ন দেশের ৬৬৬ জন প্রতিযোগী অংশগ্রহণ করেন। আইএমও’র আনুষ্ঠানিক স্কোরবোর্ড অনুযায়ী, তাদের মধ্যে মাত্র সাতজন পূর্ণ নম্বর অর্জন করেন।
প্রতি বছর ভিন্ন ভিন্ন স্থানে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতা শুধুমাত্র ২০ বছরের নিচে বয়সের অংশগ্রহণকারীদের জন্য সীমাবদ্ধ।
হুয়াওয়ে বুধবার জানিয়েছে, তাদের এআই সিস্টেম ‘সেলিয়া’ গণিতের নানা শাখায় ‘সমন্বিত সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা’ প্রদর্শন করে।
ইংরেজিতে ‘রেডনোট’ নামে পরিচিত শিয়াওহংশু জানায়, তাদের ‘ডটস-নোট ৩.০’ মডেল এই বছর প্রথমবারের মতো আইএমওতে অংশগ্রহণ করেছে।
শিয়াওহংশু আমন্ত্রণ জানিয়ে জানায়, ‘পরীক্ষার সময় কোনো ধরনের মানবীয় হস্তক্ষেপ কঠোরভাবে নিষেধ ছিল।’ পরে এআইয়ের সমাধান মূল্যায়নের জন্য আইএমও আয়োজকদের কাছে জমা দেওয়া হয়।
২০২৪ সালের আইএমওতে গুগলের এআই ছয়টির মধ্যে চারটি প্রশ্ন দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে সমাধান করে রৌপ্যপদক-সমমানের নম্বর অর্জন করেছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন