প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজের পেছনের চাকা উড্ডয়নের পর বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। পরে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজটি জরুরি অবতরণ করে। এতে অল্পের জন্য বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছেন উড়োজাহাজের যাত্রীরা ও ক্রুরা। শনিবার (১০ অক্টোবর) এ ঘটনা ঘটে।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট BG 436 কক্সবাজার থেকে ঢাকার উদ্দেশে যাত্রা করে। উড়োজাহাজটি ড্যাশ ৮-৪০০ মডেলের বলে জানা গেছে। উড্ডয়নের পরপরই এর পেছনের একটি চাকা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ার খবর প্রকাশিত হয়। এ পরিস্থিতিতে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে উড়োজাহাজটির জরুরি অবতরণ করা হয়। দুর্ঘটনার আশঙ্কায় বিমানবন্দরের রানওয়ে প্রায় আধা ঘণ্টা বন্ধ রাখা হয়েছিল বলে সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রাথমিক তথ্যানুযায়ী, উড়োজাহাজটিতে প্রায় ৮০ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেলেও যাত্রীসংখ্যার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। একইভাবে, ঠিক কী কারণে চাকা বিচ্ছিন্ন হয়েছে এবং উড্ডয়নের পর থেকে অবতরণ পর্যন্ত কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তা জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত বক্তব্য প্রয়োজন।
এদিকে, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের জনসংযোগ অধিদপ্তরের এক বার্তায় জানানো হয়, কক্সবাজার থেকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে চলাচলকারী ফ্লাইট BG 436 শনিবার বিকেল ৩টা ১০ মিনিটে নিরাপদে অবতরণ করেছে। অনিবার্য অপারেশনাল ও কারিগরি কারণে ফ্লাইটটির সময়সূচিতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছিল। যাত্রী ও ক্রুরা নিরাপদে গন্তব্যে পৌঁছেছেন বলেও বার্তায় উল্লেখ করা হয়।
তবে উড্ডয়নের পর উড়োজাহাজের চাকা বিচ্ছিন্ন হওয়ার বিষয়টি নিয়ে বিমান কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত ও আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি। যান্ত্রিক ত্রুটির প্রকৃত কারণ, উড়োজাহাজটির কারিগরি অবস্থা এবং এ ঘটনায় দায়িত্বশীলদের ভূমিকা নিয়ে তদন্তের দাবি করেছেন ভোক্তভোগীরা।
বিমান চলাচলের মতো গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল ক্ষেত্রে এ ধরনের ঘটনা উড়োজাহাজের রক্ষণাবেক্ষণ, উড্ডয়ন-পূর্ব কারিগরি পরীক্ষা এবং যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়গুলোকে নতুন করে সামনে এনেছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিরপেক্ষ তদন্ত ও বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ জরুরি বলে মনে করেন সচেতন মহল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন