প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস, সোমবার ঘোষণা দিয়েছে যে, তারা প্রায় দুই দশক ধরে গাজা শাসনকারী সংস্থাটি ভেঙে দিচ্ছে। এভাবে তারা একটি টেকনোক্র্যাটিক কমিটিকে বেসামরিক শাসন বাস্তবায়নের পথ প্রশস্ত করার চেষ্টা করছে।
এই পদক্ষেপটি হামাসের একটি উল্লেখযোগ্য রাজনৈতিক পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। ২০০৭ সালে ফিলিস্তিনের ফাতাহ গোষ্ঠীর কাছ থেকে নিয়ন্ত্রণ দখলের পর আইনসভা নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর থেকে দলটি গাজা শাসন করে আসছিল।
গত অক্টোবরে গাজায় হামাস এবং ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর থেকে দলটি বারবার জানিয়েছে যে, তারা দৈনন্দিন শাসনকার্য থেকে সরে দাঁড়াতে প্রস্তুত। তবে তাদের নিরস্ত্রীকরণের জটিল ব্যাপারটি অমীমাংসিতই রয়ে গেছে।
সরকারের জরুরি কমিটির প্রধান মোহাম্মদ আল-ফাররা আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। হামাসের সরকারি গণমাধ্যম দপ্তরের প্রধান ইসমাইল আল-থাওয়াবতা একটি সংবাদ সংস্থাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানিয়েছেন, ‘তিনি গাজা প্রশাসনের জাতীয় কমিটির (এনসিএজি) কাছে প্রশাসনিক ও সরকারি ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সহজ করার জন্য কমিটিটি ভেঙে দেয়ার সিদ্ধান্তও নিয়েছেন।’
এনসিএজি গঠিত হয়েছিল ‘বোর্ড অফ পিস’-এর মাধ্যমে, যা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ২০২৫ সালের অক্টোবরে হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধবিরতি মধ্যস্থতা করার সময় প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।
হামাসের মুখপাত্র হাজেম কাসেম বলেছেন, হামাস একটি নতুন পদক্ষেপ নিয়েছে যে, তারা আর গাজা উপত্যকার দায়িত্বে থাকবে না। এর উদ্দেশ্য হলো দখলদারিত্বের যেকোনো অজুহাত দূর করা।
হামাসের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন যে, দলটি সম্প্রতি কায়রোতে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে অন্যান্য ফিলিস্তিনি দলগুলোকে তাদের এই সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। ওই কর্মকর্তা বলেন, দলগুলো হামাসের এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে এবং এটিকে জাতীয় কমিটিকে তার প্রশাসনিক ভূমিকা গ্রহণে সক্ষম করার পথে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
হামাস সংস্থাটির বিলুপ্তি ফিলিস্তিনি টেকনোক্র্যাট আলী শাথের নেতৃত্বাধীন এনসিএজি-কে এই অঞ্চলে প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণের পথ প্রশস্ত করেছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন