প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোয় চলমান ২০২৬ বিশ্বকাপের শিরোপা লড়াই এখনও সমাপ্ত হয়নি। তবে এর মধ্যেই ২০৩০ বিশ্বকাপ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়ে গেছে। এই বিশ্বকাপের শতবর্ষ উপলক্ষে এটি প্রথমবারের মতো তিন মহাদেশে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। স্বাগতিক হওয়ার কারণে বিশ্বকাপে সরাসরি খেলাধুলার সুযোগ পেয়েছে ছয়টি দেশ—স্পেন, পর্তুগাল, মরক্কো, উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা এবং প্যারাগুয়ে।
মূল আয়োজনের দায়িত্ব পালন করবে ইউরোপের স্পেন ও পর্তুগাল এবং আফ্রিকার মরক্কো। কিন্তু ১৯৩০ সালে প্রথম বিশ্বকাপ আয়োজনকারী উরুগুয়েকে সম্মান জানানোর জন্য বিশেষ আয়োজন হিসেবে উদ্বোধনী পর্বের তিনটি ম্যাচ খেলানো হবে দক্ষিণ আমেরিকার উরুগুয়ে, আর্জেন্টিনা ও প্যারাগুয়ের ভেনুতে। সেজন্য এই তিনটি দেশও স্বাগতিকের মর্যাদা পাচ্ছে এবং সরাসরি বিশ্বকাপে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করছে।
ফিফা ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোকে ২০৩০ বিশ্বকাপের মূল আয়োজক হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদন করে। পরে শতবর্ষ উদ্যাপনকে আরও বিশেষ স্মরণীয় করে তুলতে প্রথম বিশ্বকাপের স্মৃতিবিজড়িত উরুগুয়েসহ দক্ষিণ আমেরিকার তিন দেশে উদ্বোধনী ম্যাচ আয়োজনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। উদ্বোধনী ম্যাচ শেষ হলে দলগুলো ইউরোপ ও আফ্রিকার ফ্লাইটে গিয়ে টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলো খেলবে।
ফিফার সূচি অনুযায়ী, ২০৩০ বিশ্বকাপের শুরু হবে ৮ জুন এবং শেষ হবে ২১ জুলাই। ৪৪ দিনব্যাপী এই টুর্নামেন্ট বিশ্বকাপের ইতিহাসে সবচেয়ে দীর্ঘ হবে। প্রাথমিক পরিকল্পনায় ছয়টি দেশের ১৮টি শহরের ২১টি স্টেডিয়ামে ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে।
ফাইনাল কোথায় হবে, এই ব্যাপারে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। তবে স্পেনের সান্তিয়াগো বার্নাব্যু, স্পটিফাই ক্যাম্প ন্যু এবং মরক্কোর নির্মাণাধীন হাসান-২ স্টেডিয়াম নিয়ে আলোচনা চলছে। ফিফা জানিয়েছে, ২০২৬ বিশ্বকাপের পরে চূড়ান্ত ভেন্যু তালিকার সঙ্গে ফাইনালের মাঠও ঘোষণা করা হবে।
তিন মহাদেশে ছড়িয়ে বিশ্বকাপ আয়োজনের ইতিহাস আগে কখনো দেখা যায়নি। তাই ইতিহাস, ঐতিহ্য ও আধুনিক আয়োজনের সমন্বয়ে ২০৩০ বিশ্বকাপকে ফুটবল দুনিয়ার অন্যতম স্মরণীয় আসর হিসেবে গণ্য করা হচ্ছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন