প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মার্কিন সেনা সদস্যদের জন্য টেস্টোস্টেরন পরীক্ষা শুরু করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ। ৩০ বছরের বেশি বয়সি সেনাদের এই পরীক্ষা করা হবে লড়াইয়ের সক্ষমতা যাচাইয়ের উদ্দেশ্যে। তবে যাদের বয়স ৩০ বছরের কম, তারাও চাইলে এই পরীক্ষা করাতে পারবেন।
ইরানের সঙ্গে চলমান তীব্র সংঘাতের প্রেক্ষাপটে গত বুধবার (১৫ জুলাই) মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী এক ঘোষণায় জানান, নতুন এই পদক্ষেপের মাধ্যমে আমাদের যোদ্ধাদের লড়াই চালিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় শারীরিক ভিত্তি বা জৈবিক সক্ষমতা রয়েছে কি না, তা যাচাই করা হবে।
নতুন নীতির আওতায় টেস্টোস্টেরন পরীক্ষাকে সেনাবাহিনীর নিয়মিত বার্ষিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এক্স-এ প্রকাশিত ভিডিও বার্তায় হেগসেথ বলেন, সেনা সদস্যদের প্রতিদিন মানসিক ও শারীরিক সক্ষমতার সর্বোচ্চ সীমায় কাজ করতে হয়। দায়িত্ব পালনের জন্য তাদের টেস্টোস্টেরনের প্রয়োজনীয় মাত্রা রয়েছে কি না, নতুন এ পরীক্ষা তা নিশ্চিত করবে।
তিনি আরো উল্লেখ করেন, যদি কারো টেস্টোস্টেরনের মাত্রা নির্ধারিত সীমার নিচে থাকে, তাহলে তিনি চাইলে টেস্টোস্টেরন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি গ্রহণ করতে পারবেন। তবে কৃত্রিমভাবে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়ানোর চিকিৎসা গ্রহণে কোনো সেনাসদস্য অস্বীকৃতি জানালে এর পরিণতি সম্পর্কে তিনি কিছু বলেননি।
এ সিদ্ধান্ত নারী সেনা সদস্যদের মধ্যে প্রশ্ন উত্থাপন করেছে। কারণ সাধারণত নারীদের শরীরে পুরুষদের তুলনায় প্রায় ৯০ শতাংশ কম টেস্টোস্টেরন থাকে। তবে তাদের এ পরীক্ষার আওতার বাইরে রাখা হবে কি না, সে বিষয়ে হেগসেথ কিছু বলেননি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন