প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
ফিলিপিন্স একটি বড় কোস্ট গার্ড জাহাজ ও একটি বিমান পাঠিয়েছে, যা তাইওয়ানের কাছাকাছি উত্তরের বাতেনেস প্রদেশের উপকূলে অবস্থানরত একটি চীনা গবেষণা জাহাজকে ঠেকানোর উদ্দেশ্যে। ওই অঞ্চলে একটি চীনা কোস্টগার্ড জাহাজও উপস্থিত ছিল।
ফিলিপিন্সের কোস্ট গার্ডের মুখপাত্র জে তারিয়েলা জানান, ফিলিপিন্সের অভিযান শুরু হওয়ার পর চীনা জাহাজটি অনুমতি ছাড়া পরিচালিত সামুদ্রিক গবেষণা বন্ধ করে ওই এলাকা ত্যাগ করে।
কোস্ট গার্ড জানায়, ‘জিয়া হাই কে ৭’ নামের চীনা গবেষণা জাহাজটির ওপর নজরদারি করার জন্য ৯৭ মিটার লম্বা ‘বিআরপি তেরেসা মাগবানুয়া’ জাহাজ ও একটি বিমান মোতায়েন করা হয়। তাদের দাবি, গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে জাহাজটি ইতবায়াত দ্বীপের প্রায় ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থান করছিল।
কোস্ট গার্ড আরও জানায়, এর আগে ‘জিয়া হাই কে ৭’ বাতেনেসের কাছে অবস্থান করার সময় নিজের অবস্থান গোপন করার চেষ্টা করেছিল। পরে ‘বিআরপি তেরেসা মাগবানুয়া’ চীনা জাহাজটির প্রায় ৯০ মিটারের মধ্যে প্রবেশ করে। এরপর একটি ছোট নৌকা পাঠিয়ে চীনা জাহাজটিকে কয়েকবার ঘিরে নজরদারি করা হয়। একই সময়ে রেডিওর মাধ্যমে চীনা জাহাজটির সঙ্গে যোগাযোগ করে তাদের পরিচয় ও সেখানে থাকার কারণ জানতে চাওয়া হয়।
ফিলিপিন্সের কোস্ট গার্ড জানায়, তাদের নৌকাগুলোকে এড়াতে চীনা গবেষণা জাহাজটি বারবার দিক পরিবর্তন করছিল। পরে চীনের একটি কোস্ট গার্ড জাহাজ সেখানে এসে গবেষণা জাহাজটিকে পাহারা দেয়। এরপর চীনা কোস্টগার্ড রেডিওর মাধ্যমে ফিলিপিন্সের জাহাজকে সতর্ক করে।
ফিলিপিন্সের কোস্ট গার্ড বলেছে, চীনা কোস্ট গার্ডের জাহাজ সেখানে আসার বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ ‘জিয়া হাই কে ৭’ একটি বেসরকারি জাহাজ। তাই জাহাজটির সঙ্গে চীনা সরকারের কোনো সম্পর্ক আছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সমুদ্রের নিচে থাকা কেবল এলাকার কাছ থেকে জাহাজটি যে তথ্য সংগ্রহ করেছে, সেগুলো কী কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে, তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেছে ফিলিপিন্স।
ফিলিপিন্সের কোস্ট গার্ড জানায়, তাদের অভিযান এখনো চলছে। তবে তারা ‘জিয়া হাই কে ৭’কে আগের অবস্থান থেকে সরে যেতে বাধ্য করেছে।
জাহাজটি ফিলিপিন্সের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল ছেড়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে ‘বিআরপি তেরেসা মাগবানুয়া’ এখনও সেটির ওপর নজর রাখছে। এ বিষয়ে মন্তব্য জানতে ম্যানিলায় চীনা দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো জবাব দেয়নি।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন