প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের পর ইরানে অত্যন্ত কঠোর পারমাণবিক যাচাই ব্যবস্থা চালু করার প্রয়োজন রয়েছে, যাতে দেশটি কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করতে না পারে। জাতিসংঘের পারমাণবিক তদারকি সংস্থার প্রধান রাফায়েল গ্রোসি শুক্রবার এই কথা বলেছেন।
আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রোসি এ মন্তব্য করেন এমন একসময়, যখন যুদ্ধের অবসানে বৃহত্তর একটি চুক্তি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা চলছে। চলমান এসব আলোচনায় ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি অন্যতম প্রধান অমীমাংসিত বিষয় হিসেবে রয়েছে।
টোকিও থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, গ্রোসি জাপানে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার মনে হয়, (সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র-ইরান) চুক্তির উদ্দেশ্য হলো, ইরানে যেন কোনও পারমাণবিক অস্ত্রের উন্নয়ন না ঘটে তা নিশ্চিত করা।’ তিনি বলেন, ‘কিন্তু শুধু উদ্দেশ্য থাকলেই হবে না। যত দ্রুত সম্ভব একটি অত্যন্ত শক্তিশালী যাচাই ব্যবস্থা কার্যকর করতে হবে।’ ইরান সরকারও খুব স্পষ্টভাবে জানায়, এটি তাদের উদ্দেশ্য নয়।
আইএইএ প্রধান আরও বলেন, তেহরানের ইউরেনিয়াম মজুদ নিয়ে কী করা হবে, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সাম্প্রতিক প্রাথমিক সমঝোতার পর তেহরানের সঙ্গে সংস্থাটির আলোচনা মাত্র শুরু হয়েছে।
গ্রোসি বলেন, ‘প্রাথমিক পর্যায়ের আলোচনা হয়েছে। আমরা আশা করছি, খুব শিগগিরই এ কাজ গতি পাবে।’
ইরান বরাবরই পারমাণবিক বোমা তৈরির চেষ্টা করার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে। একই সঙ্গে বেসামরিক পূর্ণাঙ্গ পারমাণবিক কর্মসূচি পরিচালনার অধিকারেও তারা অনড় অবস্থান বজায় রেখেছে। গত বছর ইসরাইলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধের পর ইরানের পার্লামেন্টে পাস হওয়া একটি আইনের আওতায় তেহরান গত জুলাই থেকে আইএইএ’র সঙ্গে সহযোগিতা স্থগিত করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন