প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে একাধিক দল সমান পয়েন্টে থাকায় নকআউট পর্বে ওঠার লড়াই আরও জটিল হয়ে উঠেছে। এ রকম পরিস্থিতিতে কোন দল পরের রাউন্ডে যাবে সেটি নির্ধারণে নতুন নিয়মের বিস্তারিত ব্যাখ্যা তুলে ধরেছে ফিফা।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যদি দুই বা ততোধিক দলের পয়েন্ট সমান হয়, তাহলে প্রথমে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে মুখোমুখি (হেড-টু-হেড) ম্যাচের ফলাফলের ওপর। অর্থাৎ, সংশ্লিষ্ট দলগুলোর মধ্যে সরাসরি ম্যাচে যেই দলটি ভালো করেছে, তারা তালিকায় এগিয়ে থাকবে।
হেড-টু-হেডে যদি পার্থক্য না থাকে, তবে সামগ্রিক গোল ব্যবধান বিবেচনায় আসবে। সেটিতেও যদি সমতা থাকে, তখন দেখা হবে মোট গোলসংখ্যার দিকে। এর মানে হলো, গ্রুপ পর্বে যেই দল অধিক গোল করেছে, তারা পাবে অগ্রাধিকার।
তবে যদি এরপরও কোনো পার্থক্য তৈরি না হয়, তাহলে ফিফা ফেয়ার প্লে রেকর্ডের দিকে নজর দেবে। এখানে কম হলুদ ও লাল কার্ড পাওয়া দলকে দেওয়া হবে বাড়তি সুবিধা। শৃঙ্খলাবিষয়ক এই মানদণ্ডেও যদি সমতা প্রতিষ্ঠিত হয়, তাহলে সর্বশেষে নির্ধারণ করা হবে ফিফা র্যাঙ্কিং অনুযায়ী অবস্থান।
এই বছরের বিশ্বকাপে ৪৮ দলের অংশগ্রহণে ১২টি গ্রুপে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি গ্রুপ থেকে শীর্ষ দুই দল সরাসরি নকআউট পর্বে উন্নীত হবে। তাদের সাথে যোগ দেবে আটটি সেরা তৃতীয় স্থানধারী দল।
এছাড়া তৃতীয় স্থানধারী দলগুলোর মধ্যে আলাদা একটি র্যাঙ্কিং বা ‘ওয়াইল্ডকার্ড টেবিল’ তৈরি করা হবে। সেখানেও প্রথমে দেখা হবে পয়েন্ট, এরপর গোল ব্যবধান, মোট গোলসংখ্যা, ফেয়ার প্লে রেকর্ড এবং সবশেষে ফিফা র্যাঙ্কিং।
সুতরাং গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচগুলোতে শুধু জয়-পরাজয়ই নয়, বরং গোল ব্যবধান, গোলসংখ্যা এবং শৃঙ্খলাও বিশাল গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে। একটি গোল অথবা একটি হলুদ কার্ডই নির্ধারণ করে দিতে পারে কোনো দলের নকআউট ভাগ্য।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন