প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গত রোববার রাতে যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ইরানের লারাক দ্বীপে আকস্মিক হামলা চালানো হয়। এই হামলার ফলে ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের সেনাসহ বেশ কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক নিহত ও আহত হন। হামলার পর ইরান জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিতে পালটা হামলা চালায়।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানে আবারও হামলা চালানো হবে এই পালটা হামলার জন্য। তিনি ফক্স নিউজকে বলেন, "আমরা তাদের ওপর কঠোর হামলা চালাতে যাচ্ছি। ইরানিদের হামলার জবাব দেওয়া হবে।"
ট্রাম্প সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ইরানকে নিয়ে নতুন একটি পোস্টে ব্যাপক সমালোচনা করেছেন। তিনি সেখানে ইরানকে ‘মৃত’ দেশ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, "ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আর অবশিষ্ট নেই।" যদিও তিনি যুদ্ধের শুরু থেকেই এই দাবি করে আসছেন।
ট্রাম্পের পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে, "ইরান আনুষ্ঠানিকভাবে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র। এটি মৃত! তাদের কোনো নৌবাহিনী নেই, বিমানবাহিনী নেই, তাদের কোনো মুদ্রাও নেই। তারা তাদের সেনা ও পুলিশ সদস্যদের কোনো বেতন দিচ্ছে না। মুদ্রাস্ফীতি ৩০০ শতাংশে পৌঁছেছে। ইরানের নেতারা বিশৃঙ্খল অবস্থায় আছে এবং দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে সক্ষম নয়।"
জুলাইয়ের পর গত রোববার রাতে দুই দেশ আবারও হামলা ও পালটা হামলা চালিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্র কিছুদিন ধরে বলছে যে, অস্ত্রের যুদ্ধের বদলে ইরানের বিরুদ্ধে অর্থনৈতিক যুদ্ধ চালানো হবে। তবে নতুন এই হামলা প্রমাণ করেছে যে, কোনো স্থায়ী যুদ্ধবিরতি ছাড়া যে কোনো সময় লড়াই শুরু হয়ে যেতে পারে।
ট্রাম্প তার পোস্টে আরও দাবি করেছেন, ইরান সরকারবিরোধী এক লাখ বিক্ষোভকারীকে হত্যা করেছে। তিনি বলেন, "আর বিক্ষোভ দমন করেই তারা টিকে আছে।"
গত জানুয়ারিতে ইরানে ব্যাপক বিক্ষোভের ঘটনা ঘটে। সরকারি তথ্যে বলা হয়েছে, ওই সময় নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যসহ তিন হাজার ১১৭ জনের মৃত্যু হয়। তবে ট্রাম্পের উল্লেখ করা এক লাখ সংখ্যাটি কোথা থেকে এসেছে তা স্পষ্ট নয়। এর আগে তার সরকার ৬০ হাজার বিক্ষোভকারী নিহত হওয়ার তথ্য দিয়েছিল।
সূত্র: আলজাজিরা
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন