প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
বরিশালের বানারীপাড়ায় সৈয়দ বজলুল হক কলেজের ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোঃ আল আমিনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের পর্নোগ্রাফিক ভিডিও প্রদর্শন, অর্থ আত্মসাৎ, স্বাক্ষর জালিয়াতি ও নারী সহকর্মীকে যৌন হয়রানিসহ একাধিক গুরুতর অভিযোগের প্রমাণ পাওয়ার পর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তাকে চূড়ান্ত বরখাস্তের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেছে।
অভিযোগের সূত্রে জানা যায়, সহকারী অধ্যাপক মোঃ আল আমিনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের পর্নোগ্রাফিক ভিডিও দেখানোর, বিভিন্ন কাজের কথা বলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ করার, কলেজের অর্থ আত্মসাৎ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিদর্শন টিমের স্বাক্ষর জালিয়াতি এবং নারী সহকর্মীকে যৌন হয়রানি করার অভিযোগ আনা হয়। এই অভিযোগের ভিত্তিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।
অভিযোগের প্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে, যার মধ্যে আঞ্চলিক পরিচালকসহ তিন সদস্য ছিলেন। তদন্ত কমিটি সরেজমিনে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে এবং অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে।
পরবর্তীতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী বিষয়টি অধিকতর তদন্তের জন্য পাঁচ সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটিও তদন্ত শেষে মোঃ আল আমিনের বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগগুলোর প্রমাণ পাওয়ার কথা উল্লেখ করে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে।
দুটি তদন্ত প্রতিবেদনের ভিত্তিতে সৈয়দ বজলুল হক কলেজের গভর্নিং বডি মোঃ আল আমিনকে চূড়ান্তভাবে বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়ে রেজুলেশন গ্রহণ করে। পরে বিষয়টি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০ আগস্ট জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় তার চূড়ান্ত বরখাস্তের সিদ্ধান্ত অনুমোদন করে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
এ ঘটনার পর কলেজের শিক্ষক-শিক্ষার্থীসহ সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন