প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
গাজা উপত্যকায়, যা ফিলিস্তিনের একটি অবরুদ্ধ এলাকা, ইসরায়েলি বিমান হামলায় ধ্বংস হওয়া ভবনের ধ্বংসস্তূপ থেকে একের পর এক মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে, জাতিসংঘ আন্তর্জাতিক তদন্তকারীদের গাজার পুরো অঞ্চলে অবাধ প্রবেশের অনুমতি দেওয়ার জন্য জোর দাবি জানিয়েছে, যাতে ইসরায়েল বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগের প্রমাণ সংরক্ষণ করা যায়।
জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক প্রধান ফলকার তুর্ক এক বিবৃতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, "ইসরায়েলি হামলায় মাটির সঙ্গে মিশে যাওয়া স্থানগুলো থেকে একের পর এক পুরো পরিবারের সদস্যদের মরদেহ উদ্ধার করা হচ্ছে। আমার আশঙ্কা, এ পর্যন্ত যে পরিমাণ মরদেহ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে, তা প্রকৃত সংখ্যার তুলনায় খুবই সামান্য। গাজার একটি বড় অংশ ইসরায়েলি বোমাবর্ষণ এবং ভারী যন্ত্রপাতি দিয়ে গুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।"
তুর্ক আরও উল্লেখ করেছেন যে, বুলডোজার দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরানোর সময় সেখানে মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা মরদেহ বা আলামতের কোনো তোয়াক্কা করা হচ্ছে না, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
ফিলিস্তিনের সিভিল ডিফেন্স এজেন্সির তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের নভেম্বর থেকে এ পর্যন্ত ধ্বংসস্তূপের নিচ থেকে ৬৩০টিরও বেশি মরদেহ ও মানবাবশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়া এসব দেহের অধিকাংশই নারী ও শিশুদের। বোমাবর্ষণের দীর্ঘ সময় পরও যেভাবে ব্যাপক হারে মানবাবশেষ পাওয়া যাচ্ছে, তা ইসরায়েলি বাহিনীর সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় বলে জাতিসংঘ সতর্ক করেছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন