প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সরকার ২০২৭ সালের হজ কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য আরও ৩৮টি এজেন্সিকে অনুমতি প্রদান করেছে। ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ষষ্ঠ পর্যায়ের প্রাথমিকভাবে যোগ্য হজ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ করেছে শর্ত সাপেক্ষে।
এটি উল্লেখযোগ্য যে, পূর্বে পাঁচ দফায় ৬৪২টি এজেন্সিকে আগামী হজ কার্যক্রমে অংশগ্রহণের জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছিল।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) ষষ্ঠ পর্যায়ের তালিকা প্রকাশের পর ধর্ম মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রকাশিত তালিকার কোনো এজেন্সি যদি যৌক্তিক কারণ ছাড়া ২০২৭ হজ মৌসুমে হজযাত্রী নিবন্ধন (প্রাক-নিবন্ধন নয়) না করে, তাহলে সেই এজেন্সির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যোগ্য তালিকাভুক্ত এজেন্সিগুলোকে হজযাত্রী নিবন্ধনের আগে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পারস্পরিক সমন্বয়ের ভিত্তিতে গ্রুপ (অ্যালায়েন্স) গঠন করতে হবে। সৌদি সরকারের নির্ধারিত এজেন্সিপ্রতি ন্যূনতম হজযাত্রীর কোটা পূরণ করতে পারলে সেই এজেন্সি বা লিড এজেন্সি সৌদি আরবে হজযাত্রী পাঠানোর অনুমতি পাবে।
এতে আরো বলা হয়েছে, "এজেন্সিগুলোকে ই-হজ সিস্টেমে ঘোষিত প্যাকেজ নির্ধারণ করে হজযাত্রী নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে। এই প্যাকেজই হজযাত্রী ও এজেন্সির মধ্যে চুক্তিপত্র হিসেবে বিবেচিত হবে। প্যাকেজে সৌদি আরবে প্রদেয় সেবা, অবস্থানকাল, হোটেলের দূরত্ব এবং প্যাকেজের মূল্য বাধ্যতামূলকভাবে উল্লেখ করতে হবে।"
"প্রত্যেক এজেন্সিকে ন্যূনতম ৪৪ জন হজযাত্রী নিবন্ধন করতে হবে।
অর্থাৎ একজন গাইডের জন্য নির্ধারিত সমসংখ্যক হজযাত্রী হলে এজেন্সিটি সমন্বয়ে অংশ নিতে পারবে। অন্যথায়, লিড এজেন্সির আওতাধীন অন্য কোনো এজেন্সিতে হজযাত্রী স্থানান্তরের (ট্রান্সফার) মাধ্যমে তাদের হজ পালন নিশ্চিত করতে হবে।"
"প্রতি ৪৪ জন হজযাত্রীর জন্য আরবি ভাষায় দক্ষ, তথ্য-প্রযুক্তি বিষয়ে জ্ঞানসম্পন্ন এবং হজ পরিচালনায় অভিজ্ঞ একজন হজ গাইড নিয়োগ দিতে হবে। ই-হজ সিস্টেমে গাইড যুক্ত করার সময় তার পাসপোর্টের তথ্য ও হজের অভিজ্ঞতার তথ্য দিতে হবে।"
"অনিবন্ধিত কোনো ব্যক্তিকে হজযাত্রী হিসেবে সৌদি আরবে নেওয়া যাবে না।
যদি কোনো এজেন্সি এমন উদ্যোগ নেয়, তাহলে কারণ দর্শানোর সুযোগ ছাড়াই তাদের লাইসেন্স বাতিলসহ প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পরবর্তীতে, যদি কোনো এজেন্সি হালনাগাদ তথ্যসহ আবেদন করে, তাহলে যাচাই-বাছাই শেষে তাদের নাম পরবর্তী যোগ্য তালিকায় প্রকাশ করা হবে।"
"যোগ্য তালিকা প্রকাশের পর যদি কোনো এজেন্সির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়ে শাস্তি দেওয়া হয়, তাহলে কারণ দর্শানোর সুযোগ ছাড়াই সেই এজেন্সির নাম তালিকা থেকে বাতিল করা হবে।"
"এজেন্সিগুলোকে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত লাইসেন্স নবায়নের শর্তে যোগ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যেসব এজেন্সির লাইসেন্সের মেয়াদ আগামী বছরের জুনের মধ্যে শেষ হবে, তাদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নবায়নের আবেদন করতে হবে।"
"এ ছাড়া প্রতিটি এজেন্সিকে হালনাগাদ হজ লাইসেন্স, ট্রাভেল লাইসেন্স, ট্রেড লাইসেন্স এবং আয়কর সনদ জমা দিয়ে ঢাকা হজ অফিসের পরিচালকের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর করতে হবে।"
যোগ্য তালিকাভুক্ত এজেন্সি ছাড়া অন্য সব এজেন্সির প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। পরে যোগ্য তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট এজেন্সির প্রাক-নিবন্ধন কার্যক্রম চালু করা হবে বলে শর্তে উল্লেখ করা হয়েছে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন