প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার মাওয়া প্রান্তের শিমুলিয়া ঘাট ও পদ্মা সেতুর সংলগ্ন নদী এলাকায় সন্ধ্যা ৬টার পর পর্যটকবাহী সকল ধরনের নৌযান চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। এই সিদ্ধান্তটি দুর্ঘটনা প্রতিরোধ এবং নিরাপত্তা জোরদারের উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) বিকেলে পদ্মা সেতুর ৩, ৪ ও ৫ নম্বর পিলার সংলগ্ন নদীপথ এবং শিমুলিয়া ঘাটের সার্বিক নৌ-নিরাপত্তা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন শেষে লৌহজং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফারজানা ববি মিতু এই ঘোষণা দেন।
পরিদর্শনের সময় পদ্মা সেতুর পিলার ও মাওয়া ঘাট এলাকায় পর্যটকদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি সতর্কীকরণ সাইনবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা সেতু ও শিমুলিয়া ঘাটে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক দর্শনার্থীর সমাগম ঘটে। বিশেষ করে ইঞ্জিনচালিত ট্রলার ও স্পিডবোটে করে পর্যটকরা সেতুর খুঁটির কাছাকাছি চলে যান, যা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। নদীপথে যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা রোধ, নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং ঘাট এলাকায় শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসন এই কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।
নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে লৌহজং ইউএনও ফারজানা ববি মিতু জানান, মাওয়া ও শিমুলিয়া ঘাট নদীভিত্তিক পর্যটনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্থান। দর্শনার্থী ও সাধারণ মানুষের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে সন্ধ্যা ৬টার পর নদীপথে সকল ধরনের ট্রলার ও বিনোদনমূলক নৌযান চলাচল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে এই বিষয়ে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
পরিদর্শনের সময় উপস্থিত ছিলেন এলজিইডির লৌহজং উপজেলা প্রকৌশলী শান্তনু ঘোষ সাগর, বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা নেওয়াজ মোহাম্মদ খান, নৌ-পুলিশের পরিদর্শক মো. মালেক খসরু, ট্যুরিস্ট পুলিশের পরিদর্শক মো. দেলোয়ার হোসেন এবং শিমুলিয়া ট্রলার ঘাটের ইজারাদার মো. কাওছারসহ স্থানীয় বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধিরা।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন