প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
সংসদ সদস্য মাহমুদুল হক রুবেল মন্তব্য করেছেন যে, "যে কোনো মূল্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করতে হবে।" তিনি বলেন, কৃষকদের বিতরণ করা গাছের চারা ও বীজ যত্নের সঙ্গে লালনপালন করতে হবে, পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্য আরও বেশি বৃক্ষরোপণের আহ্বানও জানান।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) বিকেলে ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের যৌথ আয়োজনে কৃষি প্রণোদনা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঝিনাইগাতী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল-আমিন।
মাহমুদুল হক রুবেল আরও বলেন, সরকার কৃষি কার্ড, ফ্যামিলি কার্ডসহ জনগণের কল্যাণে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে কৃষকদের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে গাছের চারা, সার ও শাক-সবজির বীজ। তিনি বলেন, "এক সময় এই গাছগুলোই কৃষকদের পরিবারে অর্থনৈতিক ভিত্তি হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে, এমনকি সন্তানের বিয়ের খরচের জোগানও দিতে পারে।"
ঝিনাইগাতী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, এ কর্মসূচির আওতায় ৩৫০ জন কৃষক এবং ৭০টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে বিতরণ করা হচ্ছে ফলদ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা, জৈব সার ও বাঁশের খুঁটি। প্রতিটি কৃষক পরিবার পাবে পাঁচটি গাছের চারা, পাঁচটি বাঁশের খুঁটি এবং ১০ কেজি জৈব সার। প্রতিষ্ঠানগুলোও একই ধরনের সহায়তা পাবে। তবে তাদের জন্য জৈব সারের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ কেজি।
এ ছাড়া গ্রীষ্মকালীন শাক-সবজি চাষের জন্য ২ হাজার কৃষকের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের বীজ ও রাসায়নিক সার বিতরণ করা হচ্ছে। এর মধ্যে রয়েছে কলমি শাক, পুঁই শাক, হাইব্রিড লাউ, চাল কুমড়া, বেগুন, মিষ্টি কুমড়া ও শসার বীজ। প্রতিটি কৃষককে অতিরিক্ত ১৫ কেজি ডিএপি এবং ১৫ কেজি এমওপি সার দেওয়া হবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন