প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ মন্তব্য করেছেন, জুলাইকে অস্বীকার করে রাজনীতি করার সুযোগ নেই। তিনি উল্লেখ করেছেন, আওয়ামী লীগ একটি রাজনৈতিক দল। যদি তারা রাজনীতিতে প্রবেশ করতে চায়, তাহলে তাদের আরো কনস্ট্রাক্টিভ ওয়েতে চিন্তাভাবনা করতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, জুলাইকে স্বীকার করতে হবে।
বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ভোলা সদর উপজেলার ভেদুরিয়ায় দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময়কালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তথ্য আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, আওয়ামী লীগকে জুলাইয়ের ব্যাপারে ক্ষমা চাইতে হবে এবং দোষীদের সাজা দিতে হবে। এরপর যদি বাংলাদেশের মানুষ মনে করে তাদের রাজনীতি করার সুযোগ দেওয়া হবে বা না দেওয়া হবে, সেটি সময়ই বলে দেবে।
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ১৫ থেকে ৩৫ বছরের যে জেনারেশন, সেটি প্রায় ৫ কোটি। তারা সরাসরি আওয়ামী লীগের পতন বা আওয়ামী লীগের দেশ ছাড়ার প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করেছে, সরাসরি বা পরোক্ষভাবে। তারা রাজপথে, ফেসবুকে এবং সোশ্যাল মিডিয়াতে ছিল। এই ৫ কোটি মানুষকে আওয়ামী লীগের ন্যারেটিভ দিয়ে ফেরত আসানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ হবে।
পতিত সরকারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ফিরে আসা প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, তিনি (শেখ হাসিনা) আসবেন কি আসবেন না, ফিরবেন কি ফিরবেন না, তা সময়ই বলে দেবে। এখনও বাংলাদেশে রাজনৈতিক সেই প্রেক্ষাপট সৃষ্টি হয়নি যেভাবে তিনি ভাবছেন। আমার ধারণা, বাংলাদেশ ২০২৪-এর যে হত্যা, ট্রমা ও অত্যাচার, সেখান থেকে এখনও মানুষ বের হয়ে আসতে পারেনি। ওই বিষয়টি সাইকোলজিক্যালি মানুষের মনে এখনও রয়েছে।
শান্তিপূর্ণ পরিবেশে দুর্গোৎসব পালনের চিত্র তুলে ধরে পার্থ বলেন, সারা দেশে আনন্দ-উৎসবের মধ্যে হিন্দুরা তাদের ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করেছে।
আওয়ামী লীগ নতুন ন্যারেটিভ তৈরির চেষ্টা করছে মন্তব্য করে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে ঢোকার কোনো সুযোগই নেই। পালিয়ে যাওয়ার কিছুদিন পর থেকেই শুরু হয়েছিল যে, এখানে হিন্দুদের ওপর অত্যাচার হচ্ছে, ভারতীয় কিছু কিছু মোদি মিডিয়া সেগুলো সম্প্রচার করার চেষ্টা করছে। ওই ন্যারেটিভের ওপর ভিত্তি করেই তারা কাজ করছে।
তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ এখনো নতুন ন্যারেটিভ করছে যে, এখানে গণতন্ত্র নেই। তারা যে ১৭ বছর দেশকে ধ্বংস করে দিয়ে গিয়েছিল, সেখান থেকে ফিরে আসতে আমাদের সময় লাগছে। কিন্তু এখন মানুষ ভোট দিয়েছে, আমরা নির্বাচিত হয়েছি, আমাদের বিরোধী দল আছে। আমার বিশ্বাস এই গণতন্ত্র আস্তে আস্তে আরো উন্নত হবে এবং ভালো জায়গায় পৌঁছাবে।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন