প্রধান কার্যালয়: ৫৮/১- পুরানা পল্টন (২য় তলা), ঢাকা-১০০০।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত। রেজি:- নং-সি-১৯৬৯৯৯/২০২৪
ফোন: ০২২২-৪৪৫৮৫৪৭
ই-মেইল- [email protected]
রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলার সাজেকে চলমান অনির্দিষ্টকালের সড়ক অবরোধ কর্মসূচির মধ্যে এবার ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটি’ নামে একটি সংগঠন ৪৮ ঘণ্টার সর্বাত্মক অবরোধের ঘোষণা দিয়েছে। এই কর্মসূচি সাজেক পর্যটন সড়ক অবিলম্বে সচল করার এবং পাহাড়ে সশস্ত্র সন্ত্রাসী তৎপরতা বন্ধের দাবিতে অনুষ্ঠিত হবে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাতে সংগঠনটির সদস্যসচিব বিন্দু লাল চাকমার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, বুধবার ও বৃহস্পতিবার (৪ ও ৫ নভেম্বর) ৪৮ ঘণ্টার শান্তিপূর্ণ ও সর্বাত্মক গণতান্ত্রিক অবরোধ কর্মসূচি পালন করা হবে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, গেল ১১, ১৫ ও ২২ অক্টোবর এবং সর্বশেষ ২ নভেম্বর চতুর্থ দফায় চিহ্নিত সশস্ত্র সন্ত্রাসী দলের মদদপুষ্ট সংগঠন ‘সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি’ ও ‘সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশন’-এর উদ্যোগে ঘোষিত অবরোধের কারণে সাজেক পর্যটন সড়ক, স্থানীয় পর্যটন শিল্প এবং সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগে পড়েছেন। অবরোধের ফলে স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর উৎপাদিত পণ্য বাজারজাত করা সম্ভব হচ্ছে না। এতে ব্যবসায়ী, যানবাহন মালিক ও শ্রমিকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের আয়-রোজগার বন্ধ হয়ে গেছে।
অন্যদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে আরও অভিযোগ করা হয়েছে যে, অবরোধের কারণে সাধারণ মানুষ আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন এবং সরকারও রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দাবিগুলো বাস্তবায়নে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। সংগঠনটি হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে, অন্যথায় পরবর্তীতে আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
এদিকে, অবরোধ চলাকালে জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, চিকিৎসাসামগ্রী, গণমাধ্যম এবং জরুরি খাদ্যদ্রব্য বহনকারী যানবাহন কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে বলে জানিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম রক্ষা কমিটি।
এর আগে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সাজেক গণ অধিকার রক্ষা কমিটি ও সাজেক কার্বারী অ্যাসোসিয়েশনের যৌথ সভায় চলমান সড়ক অবরোধের আওতামুক্ত যানবাহনের তালিকায় নতুন করে কৃষিপণ্য পরিবহন এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থীবাহী যান অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা দেয়া হয়েছিল।
নিউজের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য স্ক্যান করুন